1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

অভয়নগরে শংকরপাশা – আমতলা সড়কের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, মানুষের ভোগান্তির শেষ কোথায়

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২২০ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি

 

যশোরের অভয়নগরে শংকরপাশা – আমতলা সড়কের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি থাকায় জনগনের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। অভয়নগর উপজেলার ভৈরব উত্তর-পুর্ব অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হল শংকরপাশা ফেরিঘাট হইতে (ভায়া মরিচা নাউলি) আমতলা বাজার সড়কটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক চলাচল করে। অনেকে শিল্পশহর নওয়াপাড়ায় এবং অভয়নগর উপজেলা পরিষদে দাপ্তরিক কাজ, কর্মক্ষেত্রে,হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এবং কেনাকাটা করার জন্য আসে।তাছাড়া, নড়াইল,খুলনা, গোপালগঞ্জ এবং ঢাকাতেও যাতায়াত করে থাকে।কিন্তু বর্তমানে সড়কের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে চলাচলা করা দুরুহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।রাস্তার খোয়া ভেঙ্গে ধুলায় পরিণত হয়েছে। এরাস্তায় নিয়মিত চলাচলকারী অনেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছে।পোশাকে লাল আবরণ পড়ে যায়। রাস্তার দুপাশের আবাদি জমির উপর ইটের ধুলা বালুর লাল স্তর পড়ে গেছে।এতে জমির উর্বরতা যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি উৎপাদিত শস্যের ও ক্ষতি হচ্ছে।২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শংকরপাশা – আমতলার ২১ কি,মি সড়ক উন্নয়ন কাজে চরম ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।১২ ফুট সড়কের উভয়দিকে ৩ ফুট করে বাড়িয়ে মোট ১৮ ফুট চওড়া রাস্তার পুনঃ পাকাকরণের কাজের টেণ্ডার দেয়া হয়।এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক( এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ( এলজিইডি) পল্লী সংযোগ সড়কের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে।প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হলেও এখনও মাত্র ৫৫/৬০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে।নড়াইল থেকে আগত একজন শিক্ষক বাবলুর রহমান বলেন, মোটর সাইকেলে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে নওয়াপাড়া যেতে হয়।পোষাকে লাল আবরণ পড়ে।সাবান দিতে হয় প্রতিদিন। চোখেমুখে ধুলাবালিতে তলিয়ে যায়। রোগী হয়ে যাচ্ছি।অনেকদিন হল সংস্কার কাজ চলছে। দ্রুত এঅবস্থার অবসান চাই।

উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ইয়াছিন বলেন,সংস্কার কাজে ধীরগতির সুযোগ নেই। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন,আমি অসুস্থ।তাছাড়া ইট, পিচ এবং বিটুমিনসহ আনুষঙ্গিক জিনিসের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে।বর্তমানে এলসি বন্দ রয়েছে।এলসি চালু হলে জিনিসপত্রের দাম কমবে বলে আশা করছি।আগামী এক/ দেড় মাসের মধ্যেই কাজ শুরু করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট