মো: মমিন আলী
স্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম)
আশুলিয়ার ভাদাইল, রুপায়ণমাঠ, ল্যান্ডমার্ক, শাজাহানমার্কেট এইসব স্থানে মাদকের রমরমা বাণিজ্য।উল্লেখিত স্থানে কিশোর যুবক সংঘবদ্ধ হয়ে মাদক সেবন করে ও মাদকের রমরমা বাণিজ্য করে থাকে। কোথা থেকে এই মাদক আসে, কে এই মুকুটবিহীন মাদক সম্রাট
এলাকার তথ্যমতে জানা যায়, গাজা,ইয়াবা, মদ, ফেনসিডিল ও দেশীয় বোতল সহ মাদকের রমরমা বানিজ্য হয়ে থাকে। এসব মাদকজাত বিভিন্ন স্থান থেকে এলাকার নির্দিষ্ট কিছু লোক দ্বারা আসে।প্রাথমিকভাবে জানা যায়,ভাদাইল থেকে উক্ত স্থানে মদ সরবরাহ করে থাকে রাসেল মন্ডল (২৬) ও আবির সরকার (২৫)। আরো অনেকে তাদের সহযোগিতায় মাদকের সরবরাহ কাজে জড়িত। বাগবাড়ি থেকে উক্ত স্থানে গাজা সরবরাহ করে থাকে রুবেল (৩৩)।পবনারটেক থেকে উক্ত স্থানে ইয়াবা সরবরাহ করে সানোয়ার হোসেন (৪০) ও সারোয়ার (২৭)।এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা যায় এলাকার আরও অনেকে এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তাদের হাত ধরেই কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দিন দিন বেড়েই চলছে।এলাকার স্থায়ী লোক প্রতিবাদ করলে দেশীয় ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে হুমকি ভয়ভিতি দেখায় ।তাদের জন্য আজকাল কিশোর যুবকরা ধ্বংসের পথে
মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হলে মাদকদ্রব্যের প্রাপ্তি সহজলভ্য যাতে না হয় সেটিকে নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে মাদকের অনুপ্রবেশ। দুঃখজনক হচ্ছে মাঝেমধ্যে ছোটখাটো মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের চালান ধরা পড়লেও তাদের মূল কুশীলবরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে।অভিযোগ রয়েছে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এসব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকায় তাদের স্পর্শ করতে পারে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মাদকের ভয়ালথাবা থেকে দেশকে বাঁচাতে মাদক সিন্ডিকেট যতই শক্তিশালী হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করে যার যার অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক ও মাদকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক