
আঃ মান্নান (স্টাফ রিপোর্টার) : রূপসায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য নিয়ে পরীক্ষিত রাজপথের লড়াকু সৈনিক জিএম কামরুজ্জামান টুকু।
খুলনা জেলা বিএনপির এই যুগ্ম আহবায়ক রূপসা উপজেলার বিএনপির নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণের সবচেয়ে পছন্দের ও আস্হাশীল প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। দলীয় নেতা-কর্মী,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ জনগণের যেকোনো বিপদে সবার আগে জিএম টুকু-কে পাশে পাওয়া যায় বলেই সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান এই নেতাকে ঘিরেই রয়েছে তৃণমূলের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা, আস্থা ও ভালোবাসা।
উপজেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা,চাঁদাবাজী,অবৈধ মাটিকাটা,মাদক ও অপরাধ বন্ধে মাননীয় এমপি আজিজুল বারী হেলাল ইতিমধ্যেই জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। যা বাস্তবায়নে, ৫-ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে মব-প্রতিহিংসা মুলক আক্রমণ প্রতিহত করতে জিএম টুকুর ভুমিকার জন্য তাকে সর্বাধিক যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ভাবা হচ্ছে । ছাত্র জীবন থেকে এখন পর্যন্ত উপজেলা-জেলা ছাত্রদল,যুবদল ও বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সাথে দায়িত্বপালন করেছেন,রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে বারবার কারাবরণ করেও দলীয় আদর্শচ্যুত না হয়ে তরুণ বিএনপির সমর্থকদের রোল মডেল হিসেবে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যেহেতু তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতি ও প্রশাসনিক পদে না থেকেও জনসেবায় যুক্ত আছেন এ জন্য উন্নয়ন,ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার আদায়ে কোথায় কি কাজ করতে হবে তা সবচেয়ে ভালো জানেন ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়,বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই যোগ্য প্রার্থী হলেও জিএম টুকু-র রয়েছে নিজস্ব ভোটব্যাংক। নবীন-প্রবীণ,সাধারণ জনগণ-ও জিএম টুকুকে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বলে মতামত ব্যক্ত করেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে জিএম কামরুজ্জামান টুকুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান আমি এমপি আজিজুল বারী হেলাল ভাইয়ের নির্দেশনা মেনে রূপসাকে মাদক,সন্ত্রাস,অবৈধ মাটিকাটা,ভূমিদস্যুতা, সালিশ ও তদ্বির বানিজ্য মুক্ত একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবো। আমার সাথে আমার আরও কয়েকজন সহকর্মী,সহযোদ্ধাও নিজেদের প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন,নিঃসন্দেহে তারা সবাই যোগ্য ও পরীক্ষীত এবং আমার পক্ষ থেকে সবার জন্যই শুভকামনা রইল। আশাকরি তৃণমূল পর্যায়ে জরীপ করলে আমিই দলীয় হাইকমান্ডের বিবেচনায় থাকবো ইনশাআল্লাহ। তারপরও হাইকমান্ড কৌশলগত কারণে যাকেই মনোনয়ন দিবে আমি নির্দ্বিধায় তার সাথেই কাজ করবো। তিনি রূপসার সকল বিএনপির নেতা-কর্মী, সুশীল সমাজ,সাংবাদিক,পেশাজীবি,সাধারণ জনগণ সবার দোয়া-সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।