1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
March 24, 2026, 10:05 pm
Title :
রূপসায় স্ত্রীকে কটুক্তির প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসী কর্তৃক স্বামী-দেবর সহ ৪ জনকে কুপিয়ে জখম। গজারিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় শিল্পায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগনের সুবিদার্থে বিনামুল্যে ওয়াইফাই সুবিদা করে দেওয়া হয়েছে – ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী   জিয়াউর রহমান ৭৪এ দুর্ভিক্ষ থেকে সমৃদ্ধ অর্থনীতি দেশ গড়ে তুলেছিলেন—–মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আযম রূপসায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।  জনগণকে ভালো রাখা বিএনপির কমিটমেন্ট:— ফকির মাহবুব আনাম স্বপন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশ— আহমেদ আজম খান। টাঙ্গাইলে একদিন আগেই ৪০ পরিবারের ঈদ উদযাপন গজারিয়ায় অবৈধ চুনা কারখানা শুরুর আগেই উচ্ছেদ.

এস আই আকবর ও তাঁর সহযোগিরা কোথায়? সিসি ফুটেজসহ মুছে দেয়া হয় খুনের আলামত।

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 16, 2020,
  • 233 Time View

আবু ইউসুফ নিজস্ব নিউজ রুম।

এস আই আকবর ও তার সহযোগি পুলিশ সদস্যরা কোথায়? এ প্রশ্নটি যেমন সাধারণ মানুষের তেমনি পুলিশও জানে না সে কোথায় আছে? তবে অভিযুক্তদের

সম্পর্কিত নানা তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনার দিন দুপুর পর্যন্ত সাদা পোশাকে ফাঁড়িতেই ছিলো এস আই আকবর ভূঁইয়া। ওই সময়ে তড়িগড়ি করে ঘটনার সব আলামত নষ্ট করে ফেলে। এমনকি সিসি টিভির ফুটেজও মুছে দেয় সিলেটী নাটকের হিরো এস আই আকবর।
এদিকে, এস আই আকবর ‘হাওয়া’ হয়ে যাওয়ার পর সন্ধানে নামে পুলিশ। তার গ্রামের বাড়ি আশুগঞ্জ

উপজেলার বেড়তলায় অভিযান চালানো হয়। সেখানেও তাকে পাওয়া যায়নি। আকবর এখন কোথায় আছে সেটি জানেন না সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।
সুত্র জানায়, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। গত শনিবার ফাঁড়িতে নির্যাতনে যুবক রায়হানের মৃত্যুর পর তড়িগড়ি করে খুনের সব আলামত নষ্ট ও সিসি টিভির

ফুটেজও মুছে দেয় দরোগা আকবর। আর এ কাজে সহায়তা করেছ তাঁর এক ঘনিষ্ট বন্ধু। আকবরের ওই বন্ধু ফাঁড়িতে থাকা সিসিটিভির ওই ফুটেজ নষ্ট করে ফেলে। এমনকি হার্ডডিস্কও সরিয়ে নতুন হার্ডডিস্ক বসানো হয়। এরপর মোবাইল ফোনসহ যোগাযোগ সব মাধ্যম বন্ধ করে আকবর চলে যায় আত্মগোপন। এ কারণে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিসিটিভির ফুটেজে কিছুই পাননি।

পুলিশের একটি সুত্র জানায়, দরোগা আকবর লাপাত্তা হওয়ার আগে ‘গণপিটুনির’ কথা পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা বিশ্বাস করেছিলেন। গুরুতর আহত হলে রায়হানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। তখন সে ফাঁড়িতে নিয়ে আসার কথা অস্বীকার করে। কিন্তু ঘটনা ছিলো তাঁর পুরোটা উল্টো।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি এস আই আকবরের। ফাঁড়ির পার্শ্ববর্তী জেলা পুলিশ সুপারের

কার্যালয়ের গেইটের সিসিটিভির ফুটেজে ধরা পড়ে ঘটনা। এরপর আকবরের সহযোগী এক পুলিশ সদস্য ঘটনাটি স্বীকার করে। বলে, সাদা পোশাকে আকবরের নেতৃত্বেই ধরে আনা যুবক রায়হানকে নির্যাতন করা হয়। রায়হানকে আকবর নির্যাতন করে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখন অপর পুলিশ সদস্যরা নির্যাতন করছিলো তখন নির্যাতনকারী ওই পুলিশ সদস্যকে ‘বাহবা’ দেন আকবর। মাত্র ১০ হাজার

টাকার জন্য রায়হানের হাত ও পায়ের নখ উপড়ে ফেলাসহ নানা নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের সময় ফাঁড়ির ভেতর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। রায়হানের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী কুদরত উল্লাহ রেস্ট হাউজের বাসিন্দারা সেই চিৎকার শুনেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট