আব্দুল্লাহ আল কাওছার,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ যখন খুলনার আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইকবাল বাহার চৌধুরী গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ শৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের নির্দশনা মোতাবেক বিভাগের সকল জেলার কর্মকর্তাদেরকে সাথে নিয়ে সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। ঠিক সেই মুহুর্তে একটি কুচক্রি মহল বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ইকবাল বাহার চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ধরেন।
ভিত্তিহীন অভিযোগ যেমন ট্রাকে খোলা বাজারের পণ্য বিতরণ ডিলার(পরিবেশক) নিয়োগে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ খেয়ে ডিলার নিয়োগ দিয়ে থাকেন, এই নিয়োগে ইকবাল বাহার চৌধুরীর কোন কিছুই করার থাকেনা।
কারণ এই ডিলার নিয়োগ কমিটির দায়িত্বে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার এবং বিভাগীয় কমিশনারের উপস্থিতিতে,বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আবেদনকারীদের সম্মুখে লটারির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগ হয়ে থাকে।
ইকবাল বাহার চৌধুরি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, যেহেতু বিজ্ঞ আদালতে ডিলারদের মামলা চলমান,
তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী খুলনা মহানগরীতে লটারি প্রাপ্তিদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিভাগে বা জেলার কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়টি খাদ্য অধিদপ্তর করে থাকেন।
খুলনা বিভাগের-খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজি সাইফুদ্দিন,সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃরিয়াদ কামাল, যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃসেফাউর নড়াইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক লাইলা আফরোজ, চুয়াডাঙ্গা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুর রহমান এবং ঝিনাইদহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রিয় কমল চাঁকমাসহ সকল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালীন গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, আরসি ফুড স্যারের মতো মানুষ হয়না,স্যার একজন অত্যান্ত ভালো মনের মানুষ,তিনি সব ফুডের সকল বিষয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন।
খাদ্য নিয়ন্ত্রকগণ আরও বলেন, ট্রাকে খোলা বাজারে পণ্য বিতরণের ডিলার পয়েন্টসমুহে তদারকি কর্মকর্তা নিযুক্তটা আমরা করে থাকি এতে আরসি ফুড মহাদয়ের কোন হাত থাকে না।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকেরা, খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করতে কাজ করে থাকে।আরও বলেন এই খাদ্য কর্মকর্তারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন, যা খাদ্য সরবরাহ এবং জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক।
প্রতি বছর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তারা
খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও বিতরণ করে থাকেন।ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে এবং তা বিভিন্ন রেশন কার্ডধারী ও দুর্যোগ কবলিত মানুষের মধ্যে খাদ্যশষ্য বিতরণ করে থাকে।
খাদ্যশস্যে সংরক্ষণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য ইকবাল বাহার চৌধুরি নিয়মিত পরিদর্শন ও পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকেন।