মোঃ রেজাউল করিম ( ব্যুরো চীফ কুমিল্লা)
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈন ও কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামানকে অপসারণের দাবিতে সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা শিক্ষক সমিতি। এরআ অংশ হিসেবে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। সোমবার বেলা ২টায় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা শেষে এ ঘোষণা দেন সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের।
এছাড়াও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপাচার্যকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা। শিক্ষকদের হামলার ঘটনায় আগামীকাল মানববন্ধন করবেন।
ড. আবু তাহের বলেন, উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শিক্ষকদের কেউ উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে কোনো ধরনের কার্যক্রম সহযোগিতা করবে না। শিক্ষকদের উপর হামলার ঘটনায় প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী ও আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. রশিদুল ইসলাম শেখের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না সেজন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা শিক্ষকদের উপর হামলা করেছে তাদের সার্টিফিকেট বাতিল করার জন্য রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দেওয়া হবে। শিক্ষক উপর হামলার ঘটনায় আগামীকাল সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন করব। তবে গুচ্ছের ভর্তি কার্যক্রম এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, হামলাকারীদের ও সন্ত্রাসী উপাচার্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি আমরা।