
ওসমান গনি
স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জে গজারিয়া উপজেলা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসবকে ঘিরে অতিরিক্ত গাড়ির চাপে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজটের,যানজটে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রী ও চালকদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,বৃহস্পতি বার(২৬মার্চ) মধ্য রাত থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ অষ্টমী স্নান উৎসবকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে অত্যাধিক যানবাহনের চাপে
এই যানজটের সৃষ্টি হয়,যা এখন না:গঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা ছাড়িয়ে গজারিয়া অংশের বাউশিয়া এলাকা পর্যন্ত বিস্তার করেছে, দিনের সময় বাড়ার সাথে সাথে কুমিল্লা পর্যন্ত বিস্তৃণ হতে পারে।
জামালদী বাসষ্টান্ড এলাকায় ঢাকাগামী স্টারলাইন চালক বিল্লাল হোসেন জানান,ভবেরচর থেকে জামালদী বাসষ্টান্ড এলাকায় আসতে দু’ঘন্টা সময় লেগেছে অথচ পাঁচ মিনিটের পথ।
আরেক বাস চালক আল ইসলাম বলেন,স্নান উৎসব এলেই মহাসড়কে এই যানজটের সৃষ্টি হয়,সরকারের উচিত এই বিষয়ে মহা পরিকল্পনা করা,এ ভাবে মানুষের দূর্ভোগ আর কত?
কুমিল্লা থেকে তিশা গাড়ীর ড্রাইভার লিয়াকত বলেন,দশ মিনিটের রাস্তা আসতে তিন ঘন্টা সময় লাগলো,ঢাকা কখন যাবো তা অনিশ্চিত।
এই দিকে যানজটে আটকে থেকে চরম দূর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ,বিশেষ করে বৃদ্ধ,নারী ও শিশুরা,অতিরিক্ত মানুষের চাপ মহাসড়ক জুড়েই নাভিশ্বাস অবস্থা।
ঈদ শেষে লক্ষীপুর থেকে ঢাকা ফিরতি যাত্রী আকলিমা আক্তার বলেন,অফিস খোলা হওয়ায় বাচ্চাদের বাবা আগেই ঢাকা ফিরেছে,আজ আমরা ফিরছি,গাড়ি দাউদকান্দি প র্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে এসেছে কিন্তু তারপর থেকেই যানজটের কবলে পড়েছি,অসহনীয় লাগছে,ছোট বাচ্চাদের নিয়ে গরমে কত ক্ষন বাসে বসে থাকা যায়।
বিষয়টা নিয়ে গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ জানান, লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব ঘিরে মধ্যরাত থেকে ঢাকামুখী লেনে যানজট সৃষ্টি হয় যা পরবর্তী সময়ে গজারিয়া অংশে ছড়িয়ে পড়ে।যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।