আজ শনিবার দুপুরে কাশিমপুর এলাকায় সংবাদ সম্মেলনের করে ভুক্তভোগীর ও তার স্বামী মোঃ মিরাজ খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে সুরাইয়া রোমান বলেন, আমার জন্মের ৪ বছর বয়সে আমার বাবা আমাকে সাফ কবলা দলিল করে ৯.৯০ শতাংশ জমি লিখে দেন। বাবা নিজ দায়িত্বে ওই জমিতে দুইটি বিল্ডিং করে দেয়। বাড়ির নাম রাখেন সুরাইয়া ভিলা। আমার বিয়ে হলে স্বামীর সংসারে চলে যাই। তার কিছু দিন পরে আমার বাবা মারা যায়।পরে জানতে পারি আমাকে দেওয়া জমির ৫.৭৭ শতাংশ আমার দু'ই সৎ ভাই মিজানুর রহমান সোহান ও সোহাইল মাহমুদ আমাকে নাবালিকা ও অবিবাহিত দেখিয়ে মায়ের নামের স্থানে সৎ মায়ের নাম দিয়ে ২০১৮ সালে ২.৪৭ ও ৩.৩০ শতাংশ জমির দু'টি ভুল দলিল মূলে আমার বাবাকে অভিবাবক বানিয়ে লিখে নেন, অতঃপর তারা সম্পূর্ণ মালিকানা দাবিতে ভাড়া উঠানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় কাশিমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানার তৎকালীন ওসি দুই পক্ষকে বাড়ি ভাড়া টাকা ভাগ করে নিতে বলে। আমি উপায় আন্থ না পেয়ে সিনিয়র সহকারী জজ, ১ম আদালত, গাজীপুর দলিল বাতিলের মামলা দায়ের করি, এমনেই চলতে থাকে তিন বছর, তারপর ২০২৩ সালে সেই মামলার ডিক্রি পাই। পরে আমি তাদের জানালে তারা মানতে চায় না। এর পর থেকে চলতে থাকে সৎ ভাইদের সাথে আমার দ্বন্দ্ব। আমার ভাইরা স্থানীয় সন্ত্রাসী কামরুজ্জামান খান, মাসুদ রানা ও সারোয়ার হোসেন সহ আরো কয়েক জনকে নিয়ে আমার বিল্ডিং দখল করতে পায়তারা শুরু করে। আমার স্বামীকে মারধরের হুমকি প্রদান করতে থাকে। আমি এই সন্ত্রাসীদের ওই জমির দলিল ও কোর্ট ডিক্রি দেখাই তারা আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করে। বর্তমানে আমাদের জীবন মৃত্যুর ঝুঁকিতে দেখা দিয়েছে। আমার স্বামী অফিসে যেতে সমস্যা হচ্ছে, বাসায় ও থাকতে পারতেছে না, তাই আমি সরকারের কাছে এর সঠিক তদন্ত্রমূ লক বিচার চাই।