।
স্টাফ রিপোর্টারঃ খান শাকিল
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর - গোড়াই এলাকায় সোমবার দুপুরের পর থেকে ঈদে ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষের ঢল দেখা গেছে। যাত্রীর তুলনায় যাত্রীবাহী পরিবহন নিতান্তই অপ্রতুল। ফলে মির্জাপুর থেকে গোড়াই পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা।
ঝিনাইদহগামী পোশাকশ্রমিক রিনি খাতুন বলেন যে, দুপুর তিনটা থেকে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, এখন সারে চারটা বাজলো। ঝিনাইদহ যাবো, কিন্তু বাস পাচ্ছি না।
গাইবান্ধাগামী গার্মেন্টস কর্মী রুমা আক্তার বলেন যে , বাস কাউন্টারে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। গাইবান্ধা যেতে আগে লাগত ৫০০ টাকা এখন ঈদ উপলক্ষে নেয়া হচ্ছে ১,৩০০ টাকা। উপায় নাই, যেতেই হবে। গোড়াই কাউন্টারে কথা বলে জানা যায় যে, গাইবান্ধা টিকেট মূল্যঃ ১৩০০ টাকা। কুড়িগ্রাম টিকিট মূল্যঃ১৫০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ।
সোমবার চারটার দিকে মির্জাপুর-গোড়াই এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, দুপুরের পর থেকে কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, গোড়াই-মির্জাপুর শিল্পাঞ্চল ছুটি হয়। এতে অনেক শ্রমিক বাড়ি যাওয়ার জন্য মির্জাপুর-গোড়াই এলাকায় ভীড় করেন। কয়েকজন মিলে ভাড়া করা নিজস্ব পরিবহনেরও ব্যবস্থা করেন।
ঈদুল ফিতরের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, মহাসড়কে ততই বাড়ছে যানবাহনের চাপ। হাইওয়ে পুলিশ পয়েন্ট পয়েন্টে মোতায়েন রয়েছে। জেলা পুলিশ হাইওয়ে পুলিশের সাথে কাজ করছে। এবার ড্রোন দিয়ে জটলা করা পরিবহনগুলো দ্রুত স্থান ত্যাগ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার (এ এস আই ) সেলিম বলেন যে, দুপুরের পর থেকে মির্জাপুর-গোড়াই এলাকায় যাত্রীদের ঢল নেমেছে। যানবাহনের চাপ বেড়েই চলছে। তবে এখন পর্যন্ত আমার এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।