1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
April 2, 2026, 2:26 pm
Title :
জিএমপি পুলিশের উদ্যোগে গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ঈদ পুনর্মিলনী সভা অনুষ্ঠিত  সালথায় ৩২০ লিটার তেল জব্দ: ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবককে অর্থদণ্ড। রূপসায় সেচ্ছায় পদত্যাগের একদিন পরে বহিষ্কার উল্লেখ করে সভাপতির ফেসবুক পোস্ট,সর্ব মহলে হাস্যরসের সৃষ্টি।  পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন।  নারায়ণগঞ্জে ঢাবি ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি নির্যাতনে হত্যা শিবগঞ্জে সৈয়দপুর ইউনিয়নে ১৯৭ জন নারীর মাঝে ভিডব্লিউবি চাল বিতরণ জ্বালানি সংকটে  মোটরসাইকেল বিক্রেতায় ধস, আকর্ষণীয় অফারেও নেই ক্রেতা টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৪ ইট ভাটায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা জরিমানা গজারিয়া পূর্ব শক্রতার জেরে মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ  গাজীপুরে চিলাই খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

তদন্ত ও অপসারণ দাবী:  ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাসির হাওলাদারের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : Monday, August 28, 2023,
  • 428 Time View

 

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি

 

পটুয়াখালি জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাশার নাসির হাওলাদারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ক্ষমতার অপব্যবহার, ইউনিয়ন পরিষদ আইন ভঙ্গ, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত সহ আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের ভাষ্যমতে, ইউপি চেয়ারম্যান নাসির হাওলাদার ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৪ লাখ টাকা এবং ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ২ লাখ টাকা ট্যাক্স আদায় করে ক্যাশ বইয়ে লিপিবদ্ব না করে, আত্মসাত করেছেন।

২০২১-২২ ভিজিডি চক্রে ১৮১ নং ভাতা ভোগী মোসা: রিনা বেগম স্বামী: জামাল বেপারী এপ্রিল ২০২২ সনে মুত্যু বরণ করলেও ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত চেয়ারম্যানের মদদে চাউল উত্তোলন করা হয়েছে।

আরেকজন ভাতাভোগী ৬ মাস আগে মৃত্যু বরণ করলেও তার নামে ভাতার চাউল উত্তোলন করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান নাসির হাওলাদার নিয়মিত গ্রাম্য আদালত পরিচালনা করেন না। যা ইউনিয়ন পরিষদ আইন অমান্যের সামিল। প্রতি মাসে পরিষদের মাসিক সভা হওয়ার বিধান থাকলেও গত এক বছরে ও তিনি কোন মাসিক সভা করেন নি।

ইউডিসি সভা প্রতি দুই মাস পরপর করার আইন থাকলেও তিনি কোন ইউডিসি কমিটি গঠন করেন নি বা কোন সভাও করেন নি।

ইউনিয়নটির ডিজিটাল সেন্টার সম্পূর্ণ অকার্যকর রয়েছে । সেটি তিনি সচল করার কোন উদ্যোগ নেন নি।

২০২১-২২ অর্থ বছরে অতি দারিদ্র কর্মসুচির প্রকল্পগুলো হলো: (ক) গাবতলা ব্রীজ এর পশ্চিম পাশ হতে আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত মাটি ভরাটের কাজ।প্রকল্প ব্যায় ২৫৩০০০ টাকা যার এক টাকার কাজও করেন নি।(খ) কপালবেড়া ব্রীজের পশ্চিম পাশ হতে হোসেন মাদবরের বাড়ী পর্যন্ত মাটি ভরাটের কাজ করেন নি। (গ) মির্জাগঞ্জ পুরাতন থানা হতে বশির গোলদার এর বাড়ী পর্যন্ত মাটির রাস্তা সংস্কারের নামে ১০০০০০ টাকা বরাদ্ধ দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন । এছাড়াও মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নে আয়লা কানকী ভেরীবাধ, আলতাফ ফকিরের বাড়ী হইতে দক্ষিন মির্জাগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাটির রাস্তা সংস্করনের নামে স্কীম দেখিয়ে ২০০০০০ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।এসব কাজ না করেই উল্লেখিত প্রকল্পগুলোতে একই অর্থ বছরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবীল ভুমি হস্তান্তর কর ১% বরাদ্দ দ্বারা বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে এবং বিল উত্তোলন করা হয়েছে। উত্তোলিত টাকার পরিমান ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।

এছাড়া ২০২১-২২ অর্থ বছরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বরাদ্দ দ্বারা মির্জাগঞ্জ বাজারের দরগাহ শরিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ বালু দ্বারা ভরাট না করে উল্লেখিত প্রকল্পে ১,৫৬,০০০/-টাকা বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভাজনা মনহার খালী গো-হাটের সংস্কার এবং মাটি ভরাট করার জন্য ৬৯,৭০০/- টাকা উত্তোলন করা হলেও অদ্যাবধি কোন কাজ করা হয়নি।

তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক বিধায় সব সময়ই আইন ভঙ্গ করে থাকেন। তিনি সব সময়ই বিদ্রহীদের হয়ে কাজ করেন। ইতিপূর্বে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রয়াত খান মোশারফ হোসেনকে মির্জাগঞ্জে রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে অপমান করেছেন। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গীর আলমের নাম ব্যবহার করে বিবিধ অপকর্ম করছেন। কিছুদিন আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে নিজে ও তার বাহিনী দিয়ে চেয়ারম্যানের নিজস্বে টচার সেলে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে আহত করছেন। এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মামলাও করতে সাহস পান নাই। কথা হয় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাকের সাথে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন চেয়ারম্যান নাসির একটা সন্ত্রাসী তিনি একটা লাঠিয়াল বাহীনি তৈরি করেছেন, তার এবং তার বাহিনীর ভয়ে অত্র ইউনিয়নের মানুষ আতংকে দিন কাটাচ্ছে।আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা আমার ৭৫ বছর বয়স হয়েছে, তিনি এবং তার বাহীনি আমাকে ডেকে নিয়ে পিটিয়েছে তার সন্ত্রেসী কর্ম কান্ডের জন্য থানায় মামলাও করতে পারি নাই।

চেয়ারম্যান নাসির হাওলাদারের এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও অনিয়ম,দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইউনিয়নবাসী যে কোন সময় ফুঁসে উঠতে পারে। চেয়াম্যান নাসির হাওলাদারের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি খুঁদে বার্তা দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইউনিয়ন বাসী এসব বিষয়ে স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঠিক তদন্ত ও দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবী করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট