মোঃ সম্রাট তালুকদার
স্টাফ রিপোর্টার
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে নড়াইলের বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া - মাউলির আঞ্চলিক সড়কটি। বড় বড় গর্তে পড়ে প্রায়ই বিকল হচ্ছে যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বেহাল দশার এই সড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হলেও শুরু হয়নি সংস্কারকাজ
বারইপাড়া –কাঞ্চনপুর-মাউলি ১৪,১৫ কিলোমিটার এই সড়কে বেশির ভাগ জায়গায় পিচ উঠে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে । যাতায়াতে যেখানে ৫-১০ মিনিট সময় লাগার কথা সেখানে সড়কের বেহাল দশার কারনে গন্তব্যে পৌছাতে ঘন্টা লেগে যায় যাত্রীদের ।বিপত্তি বাধে যখন কোনো জরুরী রোগীকে হাসপাতাল বা জেলা শহর নিতে হয় তখন। মূল সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক, অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ ছোট বড় অনেক যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে অসংখ্য স্থানে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত।
খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন চলছে হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন, পথচারীরা। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে বেহাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বেহাল এই সড়কে নিয়মিত ঘটছে দুর্ঘটনা। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও চালকরা।কাঞ্চনপুর,পাটকেলবাড়ী,শুক্তগ্রাম,মাউলি,ইসলামপুর,তেলিডাংগা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রধান ও একমাত্র জেলা শহরগামী সড়ক হচ্ছে এটি অথচ, রোগী ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত যাওয়া যায় না এই রাস্তাটি দিয়ে। আর বৃষ্টিতে ভোগান্তি ওঠে চরমে।
স্থানীয়রা জানান,সড়কের এই বেহাল দশায় চলাচলে খুবই ভোগান্তি পোহাতে হয়,বিভিন্ন সময় ঘটে দুর্ঘটনা, কখনো গাড়ি উল্টে পড়ে যায় রাস্তার পাশে,শুক্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন ,বেহাল এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থীরা খুবই ঝুকি নিয়ে চলাচল করে,বর্ষাকালে এই ভোগান্তি চরম আকারে রূপ নেয় তাই তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে দ্রুতভাবে সড়কটি মেরামতের করে শিক্ষার্থী ও জনগনের স্বাভাবিক ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতের দাবী জানান।
এ বিষয়ে,এলজিইডির প্রকৌশলী প্রণব কান্তি বল বলেন, এরই মধ্যে সড়কটি সংস্কারের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ইতিমধ্যে সড়কটির জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেন । আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।