1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
April 1, 2026, 9:10 pm
Title :
রূপসায় সেচ্ছায় পদত্যাগের একদিন পরে বহিষ্কার উল্লেখ করে সভাপতির ফেসবুক পোস্ট,সর্ব মহলে হাস্যরসের সৃষ্টি।  পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন।  নারায়ণগঞ্জে ঢাবি ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি নির্যাতনে হত্যা শিবগঞ্জে সৈয়দপুর ইউনিয়নে ১৯৭ জন নারীর মাঝে ভিডব্লিউবি চাল বিতরণ জ্বালানি সংকটে  মোটরসাইকেল বিক্রেতায় ধস, আকর্ষণীয় অফারেও নেই ক্রেতা টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৪ ইট ভাটায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা জরিমানা গজারিয়া পূর্ব শক্রতার জেরে মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ  গাজীপুরে চিলাই খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন গাজীপুর জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী  রূপসায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। 

নওগাঁর আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের সংকটে কৃষক ও খামারীরা দিশেহারা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, December 8, 2020,
  • 369 Time View

আতাউর শাহ্, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে খর কিনে গো-খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। এতে করে এলাকার হাজার হাজার কৃষক ও গো-খামারীরা হিমসিম খাচ্ছে। অনেকে গো-খাদ্য সংকটের কারনে গরু ছাগল বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

জানা যায়, এ বছর পর পর দু’বার ভয়াবহ বন্যায় আত্রাইয়ের কোন মাঠে আমন ধানের চাষ হয়নি। অন্যান্যবার উপজেলার ৮ ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হতো। এর মধ্যে মনিয়ারী, ভোঁপাড়া, শাহাগোলা ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমান জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়। আর এসব ধানের খর এলাকার গো-খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে দেশে অন্যান্য জেলায় এ খরগুলো বিক্রি করা হতো। কিন্তু এবারের ভয়াবহ বন্যায় আমন ধানের চাষ না হওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে জেলার যেসব থানায় আমন ধানের চাষ হয়েছে ওই এলাকা থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে খর কিনতে হচ্ছে কৃষক ও গো-খামারীদের। প্রতিদিন সেই কাকডাকা ভোরেই ভ্যানযোগে গো-খাদ্য নিয়ে হাজির হন উপজেলা সদরের সাহেবগঞ্জ ব্রিজে। আর মুহুর্তের মধ্যেই এগুলো বিক্রি হয়ে যায় খামারী ও কৃষকদের কাছে।

ভ্যানযোগে আত্রাইয়ে খর বিক্রি করতে আসা রাণীনগর উপজেলার জলকৈ গ্রামের ইদ্রিস আলী ও উজলপুর গ্রামের কেরামত আলী বলেন, আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা আছে। এ জন্য আমরা প্রতিদিন সকালে খর বোঝাই ভ্যান নিয়ে এখানে আসি। রাণীনগর এলাকায় আমন ধানের চাষ হওয়ায় সেখানে পর্যাপ্ত পরিমান খর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ওই এলাকার কৃষকের কাছ থেকে খর কিনে এখানে নিয়ে আসি। প্রতি ভ্যান খর ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রয় হয়। এতে আমরা বেশ লাভবান হই।

আত্রাই উপজেলার জামগ্রামের সাইদুর রহমান বলেন, আমন ধানের খরের উপর ভরসা করে আমরা ইরিবোরো ধানের খর ওই সময় বিক্রি করে দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সকল ভরসা ম্লান হয়ে গেছে ভয়াবহ বন্যায়। না পেলাম ধান, না পেলাম খর। এ যেন আম-ছালা দু’টাই হারালাম। আমাদের অঞ্চলে আমন ধান না হওয়ায় উচ্চ মূল্য দিয়ে খর ক্রয় করতে হচ্ছে।
শাহাগোলা গ্রামের সোহেল হোসেন বলেন, যে খর আগে কিনতাম ৫০০ টাকায় সেই খর এবার কিনতে হচ্ছে ২৫০০ টাকায়। এতে করে গরু ছাগল প্রতিপালন আামদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।#

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট