1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

পটুয়াখালীতে টানা একসপ্তাহ ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত। 

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃগোলাম রাব্বী,স্টাফ রিপোর্টার:- দক্ষিন উপকূলীয় পটুয়াখালীতে টানা একসপ্তাহ ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছ। ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক সমূহে দৃষ্টিসীমা  ১০০ মিটারে এবং নদী পথে ৬০ মিটারের নিচে নেমে আসায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না।

শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে শীতের শীতের তীব্রতায় কাবু মানুষজন শীত নিবারনের জন্য খঠকুটা ও পরিত্যক্ত কাগজপত্র জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশার কারনে সড়কগুলো ভিজে বিভিন্ন স্থান পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে। ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।

 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবা সুখী জানান,  পটুয়াখালীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় বেশী ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে বের হওয়া দিনমজুর শ্রমিক ও যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই কাজে যেতে না পেরে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন। এ শীতের কারনে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পুরান বাজারের দিনমজুর ফারুক বলেন, কয়েকদিন ধরে শীত ও কুয়াশার কারনে কাজে যেতে পারছি না। আমার মতো অনেকেই কাজ করতে পারছে না। লাউকাঠির বই বিক্রেতা উত্তম কুমার জানান, প্রচন্ড শীতের কারনে ঠান্ডাজনিত করানে সর্দি, কাশি ও বাত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। লোহালিয়া ইউনিয়নের পাজাখালর গ্রামের কবির মৃধা বলেন শীতের কারনে ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে বেশী বিপদে পড়েছে চাষীরা। শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নদীর তীড়ের স্বনির্ভর রোড এর পাশে বস্তির মানুষ তীব্র শীতে কাতর বেশী। এ বছর সরকারি বা বেসরকারিভাবে শীতার্ত মানুষের পাশে এখনপর্যন্ত কম্বল বা শীতবস্ত্র নিয়ে এগিয়ে আসছে না বলে বস্তির শীতার্ত মানুষেরা অভিযোগ করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট