1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

পাবনা -১ বেড়া-সাঁথিয়া সীমানা নিয়ে ঢাকা ইসির সামনে বিক্ষোভ।

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

 

বুলবুল হাসান সিনিয়র স্টাফ রিপোর্ট : আগের সীমানায় ৬৮ পাবনা-১
বেড়া-সাঁথিয়া আসন পুনর্বহাল চেয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দারা মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।

সীমানা পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন পাবনা-১ আসনের কয়েকশ বাসিন্দা। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া লোকজনের হাতে ছিল— “ইসির অবৈধ গেজেট মানি না, মানব না”, “পাবনার সাঁথিয়া-বেড়া ভাই ভাই, বিভক্তি মানি না”— এসব স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড।

বেড়া কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সালমান হোসেন বলেন, “আমাদের দাবি মানা না হলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

ইসির গেজেট অনুযায়ী, এবার পাবনা-১ আসনে থাকছে সাঁথিয়া উপজেলা ও বেড়া উপজেলার— বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন। অপরদিকে সুজানগর উপজেলা এবং বেড়ার অবশিষ্ট অংশ যুক্ত হয়েছে পাবনা-২ আসনে।

এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা ৭টি যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেন—

১. ভৌগলিক নিকটবর্তীতা: বেড়া উপজেলা পরিষদ থেকে সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদের দূরত্ব ৮ কিলোমিটারেরও কম, যেখানে সুজানগরের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার।

২. নীতিমালা লঙ্ঘন: ইসির নিয়ম অনুযায়ী আসনভিত্তিক ভোটার পার্থক্য সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে। বেড়া-সুজানগর মিলিয়ে এ হার ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

৩.ভোটার ভারসাম্য: সাঁথিয়া ও আংশিক বেড়া মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ১৭ হাজার, যা ইসির নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু বেড়া-সুজানগর একত্র করলে ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৪ লাখ ৬২ হাজার, যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

৪. নদী বন্দর ও যোগাযোগ: বেড়ায় ৩টি নদী বন্দর রয়েছে। নতুন সীমানায় এগুলো সব চলে যাচ্ছে পাবনা-২ আসনে, অথচ সাঁথিয়ায় কোনো নদী বন্দর থাকছে না। এতে উন্নয়ন ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

৫.শিক্ষা ও সংস্কৃতি: সাঁথিয়া-বেড়া ও সুজানগরের মানুষের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জীবনধারা অভিন্ন।
৬. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: গত চার দশক ধরে ভৌগলিক বাস্তবতা বিবেচনায় পাবনা-১ এ ছিল সাঁথিয়া ও আংশিক বেড়া, আর পাবনা-২ এ সুজানগর ও আংশিক বেড়া।

৭. প্রশাসনিক ভারসাম্য: বেড়ার অংশ সুজানগরের সঙ্গে যুক্ত হলে ওই আসনে পৌরসভা ও ইউনিয়নের সংখ্যা বেড়ে যায় দ্বিগুণ, যা প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট করবে।

সারাদেশের মতো বিভিন্ন আসনের মতো পাবনা-১ আসন নিয়েও এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, ভৌগলিক অবস্থান, ভোটার ভারসাম্য, নীতিমালা, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও যোগাযোগব্যবস্থার দিক বিবেচনা করলে সাঁথিয়া-বেড়া পুনর্বহালই একমাত্র যৌক্তিক সমাধান। যা ইতিপূর্বে ৫৪ বছর ধরে চলে আসছে এই নির্বাচনী আসনে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট