
মোঃ আসাদুল ইসলাম, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠনের নামে কৌশলে বছরে কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করা হয় ।
অনুসন্ধানে দেখা যায় বাঘাবাড়ি ডিপোতে প্রতিদিন তেল আনতে যাওয়া ২২০ থেকে ২৫০ টি ট্যাংক লরি থেকে স্লিপ দিয়ে ‘এক মুঠো ফাউন্ডেশন’ নামে জোরপূর্বক ২০ টাকা এবং সংগঠনের নামে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়াও হাইওয়ে রাস্তার পাশে অবস্থিত পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে রোড ডিভাইডার খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতিটি পাম্প মালিকের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা আদায় করে, হাইকোর্টে রিট করার নামে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়। অথচ কোন এশিয়ান হাইওয়ের রোড ডিভাইডার যথা নিয়মেই হয়েছে।
এ বিষয়ে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেসার্স অনিকা ফিলিং স্টেশনের মালিক মো. আব্দুল জলিলের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে সহ-সভাপতির সাথে কথা বলতে বলেন। পরে দুজন মিলে নানা অজুহাত দেখিয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে অশোভন আচরণ করেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাদের মুখ থেকে জানা যায়,বিগত সরকারের সময় কিছু সাংবাদিক নেতাকে মাসোয়ারা দেওয়ার কথা শিকার করেন ।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক সদস্য বলেন , সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের ওপর একক আধিপত্য বজায় রেখেছেন। সাম্প্রতি সংগঠনের নির্বাচনের নামে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের পাঁয়তারা করছে ।
সংগঠনের পরিচালনা ও অফিস ভাড়া বাবদ একেক মাসে একেক রকম বিল উত্তোলন করেছেন,সংগঠনটি নিজস্ব অবস্থিত তাও ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা ব্যায় দেখিয়ে টাকা উত্তলোন করেছেন সংগঠনটির সাধরন সম্পাদক মোঃ আব্দুল জলিল।
সংগঠনের মাসিক আয় ও ব্যয় প্রায় সমান দেখানো হলেও, সদস্যদের দাবি এই হিসাব অস্বচ্ছ। তারা অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।