স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গায় বঙ্গবন্ধু ব্রীজ রিসোর্ট এলেঙ্গা নামে থ্রিস্টার মানের পর্যটন ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত অনৈতিক ব্যবসা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
জুয়া, মাদক ও অবৈধ নারীদের দেহব্যবসার মত ঘৃণ্যতম কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ব্রীজ এলেঙ্গা রিসোর্টটি ।
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত এলেঙ্গায় অবস্থিত এ রিসোর্টের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা রকম অপকর্ম। আর ওইসব অপকর্ম করে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ সমাজের উঁচু ও মধ্যমস্তরের বিপথগামী নারী পুরুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। অপরদিকে ওই সুযোগে এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা।
টাঙ্গাইল শহর থেকে সাত কি.মি. উত্তরে এলেঙ্গায় গড়ে উঠেছে ১৫৬.৬৫ হেক্টর জুড়ে ওই রিসোর্ট। রিসোর্টের চারপাশজুড়ে বিভিন্ন গাছের সারি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।এছাড়াও রেস্তোরাঁসহ নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিলাসী বিত্তশালীদের আকৃষ্ট করতে এখানে রয়েছে, পাঁচটি ভিআইপি এসি স্যুট ছাড়াও আছে ১০টি এসি ডিলাক্স স্যুট, ১৬টি নানা-এসি কক্ষ, পাঁচটি পিকনিক স্পট, সভাকক্ষ, ছোট যাদুঘর ও প্রশিক্ষণ কক্ষ ইত্যাদি। খেলাধুলার জন্য রয়েছে টেনিস, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন কোর্ট। বাড়তি সুযোগ হিসেবে আরও রয়েছে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি। ছোটদের বিনোদনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে কিড্স রুম। বিভিন্ন ধরনের দেশী খাবারের পাশাপাশি রয়েছে চীনা, ভারতীয় ও কন্টিনেন্টাল খাবারের মোহনীয় আকর্ষণ ।
ওই রিসোর্টে জুয়ার আসর থেকে নগদ টাকাসহ ১৪ জুয়াড়িকে আটক করে বেরসিক পুলিশ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্ট করেছেন ।
গতবৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গা রিসোর্ট থেকে ওই জুয়াড়ীদের আটক করা হলেও অধরা রয়েছেন রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের স্থানীয় কর্ণধার ফকরুল ও ফাহাদ ।
আটককৃত হচ্ছে – কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল গ্রামের আবুল কালামের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৪৫), ফটিক মিয়ার পুত্র রফিকুল ইসলাম (৫০); কোরবান আলীর পুত্র রুবেল মিয়া (৩০), জোকারচর গ্রামের মৃত ফরমান আলীর পুত্র আসাদুজ্জামান (৪৪); মৃত নুর ইসলামের পুত্র ফজলু সরকার (৩৮), মৃত আইন উদ্দিনের পুত্র সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান মাহমুদ (৫০); গোহালিয়াবাড়ী গ্রামের গ্রামের আবু সাঈদের পুত্র জুলহাস (৩৪), মজিবুর রহমানের পুত্র লোকমান মিয়া (৩৮); মাছুহাটা গ্রামের জহিরুল ইসলামের পুত্র আলমগীর হোসেন (৫৭), সল্লা গ্রামের সোনা মিয়ার পুত্রের হাবিবুর রহমান (৪৭); ভূঞাপুর উপজেলার নলুয়া গ্রামের মৃত হাছেন আলীর পুত্র মো. সুজন মিয়া (২৪), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার দুখিয়াবাড়ী গ্রামের ছবের আলী প্রামানিকের পুত্র মো. আব্দুল আলীম (৩৬); সারটিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র মনিরুল ইসলাম (৩৮); বেলকুচি উপজেলার মাঝাইল গ্রামের মৃত মুসা শেখের পুত্র আনোয়ার হোসেন (৩৩)।
কালিহাতী থানার এসআই সাজ্জাদ হোসাইন জানান, দীর্ঘদিন যাবত সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান মাহমুদ ও আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এলেঙ্গা রিসোর্টে জুয়াড় আসর চলে আসছিল।
বৃহস্পতিবার গোপান সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গা রিসোর্টের বীথিকা কটেজে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ১৪ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়।
এসময় নগদ তিন লক্ষ ত্রিশ হাজার পাঁচশত বিশ টাকা, জুয়াড়িদের ব্যবহৃত ১৫টি মোবাইল সেটসহ জুয়া খেলার বিভিন্ন সরাঞ্জম জব্দ করা হয় বলেও তিনটি জানিয়েছেন ।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছেবঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে রিসোর্ট ব্যবসার আড়ালে এলেঙ্গায় অনৈতিক কর্মকান্ড - ১
স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গায় বঙ্গবন্ধু ব্রীজ রিসোর্ট এলেঙ্গা নামে থ্রিস্টার মানের পর্যটন ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত অনৈতিক ব্যবসা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
জুয়া, মাদক ও অবৈধ নারীদের দেহব্যবসার মত ঘৃণ্যতম কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ব্রীজ এলেঙ্গা রিসোর্টটি ।
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত এলেঙ্গায় অবস্থিত এ রিসোর্টের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা রকম অপকর্ম। আর ওইসব অপকর্ম করে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ সমাজের উঁচু ও মধ্যমস্তরের বিপথগামী নারী পুরুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। অপরদিকে ওই সুযোগে এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা।
টাঙ্গাইল শহর থেকে সাত কি.মি. উত্তরে এলেঙ্গায় গড়ে উঠেছে ১৫৬.৬৫ হেক্টর জুড়ে ওই রিসোর্ট। রিসোর্টের চারপাশজুড়ে বিভিন্ন গাছের সারি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।এছাড়াও রেস্তোরাঁসহ নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিলাসী বিত্তশালীদের আকৃষ্ট করতে এখানে রয়েছে, পাঁচটি ভিআইপি এসি স্যুট ছাড়াও আছে ১০টি এসি ডিলাক্স স্যুট, ১৬টি নানা-এসি কক্ষ, পাঁচটি পিকনিক স্পট, সভাকক্ষ, ছোট যাদুঘর ও প্রশিক্ষণ কক্ষ ইত্যাদি। খেলাধুলার জন্য রয়েছে টেনিস, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন কোর্ট। বাড়তি সুযোগ হিসেবে আরও রয়েছে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি। ছোটদের বিনোদনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে কিড্স রুম। বিভিন্ন ধরনের দেশী খাবারের পাশাপাশি রয়েছে চীনা, ভারতীয় ও কন্টিনেন্টাল খাবারের মোহনীয় আকর্ষণ ।
ওই রিসোর্টে জুয়ার আসর থেকে নগদ টাকাসহ ১৪ জুয়াড়িকে আটক করে বেরসিক পুলিশ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্ট করেছেন ।
গতবৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গা রিসোর্ট থেকে ওই জুয়াড়ীদের আটক করা হলেও অধরা রয়েছেন রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের স্থানীয় কর্ণধার ফকরুল ও ফাহাদ ।
আটককৃত হচ্ছে – কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল গ্রামের আবুল কালামের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৪৫), ফটিক মিয়ার পুত্র রফিকুল ইসলাম (৫০); কোরবান আলীর পুত্র রুবেল মিয়া (৩০), জোকারচর গ্রামের মৃত ফরমান আলীর পুত্র আসাদুজ্জামান (৪৪); মৃত নুর