
মোঃ আনিসুর রহমান শেলী :
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভিজিএফ কার্ড দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য , কালিহাতী বিএনপির সিনিয়র নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম ও বল্লা ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লিগের সভাপতি কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির আবু তালহাদ এর বিরুদ্ধে।
সোমবার ( ১৫মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলামের বল্লা বাজার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে বল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তালহাদের ৩০/৪০ লোকজন নিয়ে এসে মারধর সহ দোকানের আসবাবপত্র ভাঙচুর ৩৪ হাজার টাকা নেওয়ার এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মো. সাইফুল ইসলাম উপজেলা বল্লা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা । তিনি জানান, আমি সিনিয়র মেম্বার হিসাবে ইউনিয়ন উপ- কমিটিতে আমার নাম থাকায় চেয়ারম্যান আমার উপরে দায়িত্ব দেয় সে মোতাবেক দলিয় অর্ধেক ৯৪৫টা কার্ড পরিষদ থেকে সবাই ভাগ হারে নিয়ে গেলেও বল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তালহাদ কার্ড না নিয়ে পরবর্তীতে তার ভাই ভাতিজা সহ ৩০/৪০ জন কে সাথে নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এসময় আমার চাচা বল্লা ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লিগের সভাপতি মোস্তফা আনসারী ফিরাতে গেলে তাকেও এলোপাথাড়ি মারধর করে তার পাঞ্জাবি ছিড়ে পকেটে থাকা ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। আমি নবাগত এমপি ও উপজেলার সিনিয়র নেতাকর্মীদের কাছে ন্যায়বিচারের প্রার্থনা করছি।
বল্লা ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লিগের সভাপতি মোস্তফা আনসারী এবিষয়ে বলেন, আমি দোকানের বাহিরে ছিলাম এসে দেখি সাইফুল মেম্বার কে ৩০/৪০ লোকে মারধর করতে দেখে মেম্বার কে বাচাতে গেল এসময় আমাকেও এলোপাথাড়ি মারধর করে। আমাকে শাহীনুর ও রহম দুই জনে ধরে
পাঞ্জাবি ছিড়ে পকেটে থাকা ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়।
অভিযুক্ত বল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তালহা বলেন, আমার ভাগিনা মারা গেছে এবিষযে আমি কিছু জানি না। বল্লা ইউনিয়নের সিনিয়র নেতা আবুল হাশেম জানায় আমাকে বিএনপির সভাপতির ভাগিনা ভাতিজারা সহ ৪০-৫০ জন এসে হত্যার হুমকি দেয়
এ বিষয়ে বল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: ফরিদ আহমেদ জানান, বরাবরের মতই দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে অর্ধেক কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সাইফুল মেম্বার কে যে মারধরের ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। এটা বিএনপির নেতা কর্মীদের কাছে আশা করিনি। এ নিয়ে সারা কালিহাতীতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। একমাস হলে সরকার গঠন হওয়ার পরেই এমন ঘটনা বিএনপির ভাবমুর্তির ক্ষতি হয়েছে।নাম প্রকাশের অনুচ্ছুক বিএনপির উপজেলার নেতা জানায় এমন বিতর্কিত নেতা তালহাদকে দলীয় পদ থেকে বহিস্কার করা উচিৎ তা না হলে বিএনপির ভাবমুর্তি নষ্ট হবে