সাভার প্রতিনিধিঃ মানুষের সেবা করার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন ও রাজনৈতিক জীবনে এগিয়ে যেতে চাই তেমনি সেবার মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। সাভারের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আমার নামটি রয়েছে তার একটি কারণ আমি এই মানুষগুলোকে ভালবাসি।আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসনের ১৭ টি বছর পরও এই মানুষগুলো আজও আমার উপর আস্থা রেখেছে।
আমি সাভারবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমার প্রতি বিশ্বাস রাখেন, আস্থা রাখেন।আমি আসছি পরিবর্তন করার জন্য। আমি সাভারে ছিলাম, সাভারে জনগণই আমার শক্তি। একান্ত সাক্ষাৎকারে একথা বলেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাভার পৌরসভার আগামী দিনের মেয়র প্রার্থী লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম।
এসময় তিনি আরো বলেন, সবসময় সাভারবাশীর সাথে আছেন তাদের সাথে ছিলেন এবং থাকবেন। তিনি এমন দৃষ্টান্তমূলক কাজ করে যেতে চান যেন মানুষ তাকে মনে করেন। তিনি সাভার বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, যদিও তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত অর্থাৎ তিনি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী,দলকে মনে প্রাণে ভালবাসেন তথাপি তিনি চান দল হিসাবে নয় ব্যক্তি হিসেবে সবাই তাকে চিনুক তার কাছে সবাই অবাধে যাক। তার কর্মকাণ্ড এবং সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করুক। তিনি বলেন, সাভার বাসি তাকে মন থেকে অনেক ভালোবাসেন তাইতো তিনি একজন সাধারণ কাউন্সিলর হওয়া সত্ত্বেও অন্য সমস্ত কাউন্সিলরদের থেকে সর্বাধিক ভোট পেয়েছেন যেটা আর কেউ পান নাই। তিনি সভারবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ যদিও তিনি এবং তার পূর্বপুরুষগণ বিশেষ করে উনার পিতা উনার বড় ভাই সবাই রাজনীতি করতেন এবং এখন তিনিও রাজনীতির সাথে জড়িত, তবে সবথেকে বড় কথা হল সাভার পৌরসভা হবার পর থেকে বারবার সাভারবাসী তাদের পরিবারের পাশে থেকেছেন এবং প্রতিবারই তাদের বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন। তিনি শুধু মুখেই নন কাজ করে দেখিয়েছেন বিভিন্ন সময় তিনি হতদরিদ্র গরিব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদেরকে টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেছেন, চিকিৎসা করিয়েছেন সুস্থ করেছেন। তিনি যদিও বিএনপি'র থেকে নির্বাচন করে থাকেন তথাপি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও তিনি সাভার বাসির উদাত্ত ভালোবাসার মাধ্যমে পাওয়া বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর নিযুক্ত হন। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তাকে সাভারের জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে দেন নাই। তাকে মামলা দিয়েছেন, যেন তিনি সাভারে থাকতে না পারেন। তিনি বলেন মানুষের জন্য কাজ করা তার কোন শখ নয় এটা তার একটা নেশা এবং দায়িত্ব থেকে তিনি চান কিভাবে মানুষকে ভালো রাখা যায় কি করলে মানুষের উপকার হয় তিনি সব সময় এটা নিয়ে চিন্তা করতে থাকেন তাই হয়তো তিনি বারংবার মৃত্যু পথযাত্রী হয়েও সাভার বাসীর দোয়া এবং আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে তিনি এখনও সুস্থ ও জীবিত আছেন। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার সাহায্য থেকে শুরু করে এলাকার রাস্তাঘাট এর উন্নয়নের জন্য নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে তিনি রাস্তাঘাট তৈরি করেছেন মেরামত করেছেন। তিনি শুধু চান মানুষের সেবা করতে,মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে যেন তার মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার সাথে স্মরণ করে।