
আঃ মান্নান (স্টাফ রিপোর্টার) : রূপসা উপজেলায় নৈহাটি ইউনিয়নের নৈহাটি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে হামলায় ৩-জন আহত হয়েছে। ঘটনার বিবরণে রূপসা উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক,বিএনপির নৈহাটি সেন্টার কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আরমান শেখ জানান তিনি তার চাচা ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক আনছার শেখ এবং চাচাতো ভাই মাসুদ রানা নিজদের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পর্যালোচনা করছিলেন।হঠাৎ করেই সেখানে মিজান,পিতা-সিরাজুল ইসলাম গ্রাম নৈহাটি উপস্থিত হয়ে আরমান এ-র একটি মন্তব্যে শুনেই কোন কারণ ছাড়াই উত্তেজিত হয়ে আরমানকে চড়-ঘুষি মেরে বসে। উল্লেখ্য মিজান এলাকায় গরু চোর ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত,আওয়ামী লীগের আমলে আওয়ামী লীগের কর্মী দাবী করলেও ৫-ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে সে নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবী করে। চিৎকার -চেচামেচি শুনে পাশে থাকা মানুষজন এগিয়ে আসলে মিজান দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে রাত ৮-টার সময় মিজান,তার পিতা সিরাজুল,ছোট ভাই হাসানসহ,হানিফ পিতা জাহাঙ্গীর,ইমন পিতা-মজিদ,রিপন,জাহিদ সহ প্রায় ৩০ জন সংঘবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্র, রড়,স্টীক লাঠি নিয়ে আরমান শেখ এর বাড়িতে চড়াও হয়। তারা আরমান শেখকে না পেয়ে তার চাচা আনছার শেখ, চাচাতো ভাই মাসুদ রানা(২৬),তার মা আমিরুন বেগম (৫৫) কে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে,এসময় মাসুদ রানার কোলে থাকা তার শিশুপুত্র-ও আঘাত প্রাপ্ত হয়। আশেপাশের লোকজন চলে আসলে তারা স্হান ত্যাগ করে। সারা শরীরে রডের আঘাতের চিন্হ নিয়ে আনছার শেখ এবং তার ছেলে মাসুদ রানা রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন। ডাক্তার আশংকা করছেন মাসুদ রানার হাতের হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে।
রাতেই আহতদের হাসপাতালে দেখতে ছুটে আসেন নৈহাটি ইউনিয়ন নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও সার্চ কমিটির ১ নং সদস্য মহিউদ্দিন মিন্টু,ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সার্চ কমিটির ২ নং সদস্য দিদারুল ইসলাম,সার্চ কমিটির সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন সরদারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী। ভুক্তভোগী আরমান শেখ জানান বিএনপির নেতৃবৃন্দ শান্তিপুর্ণ মিমাংসা করবেন অথবা দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।