আঃ মান্নান (স্টাফ রিপোর্টার) :
খুলনার রূপসায় স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আলআমিন শেখ ও তার দুই ভাইকে কুপিয়ে গুরুকরুণামৃত তর জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের আলাইপুর শেখপাড়ায় এ নেক্কার জনক ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আলআমিনের স্ত্রী পিয়া বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়,আলাইপুর শেখ পাড়া গ্রামের আলআমিনের স্ত্রী পিয়া খাতুনকে দীর্ঘদিন ধরে আসামি তালেব শিকদার বিভিন্নভাবে উত্যক্ত ও বাজে অংগভংগি করে আসছিল। সে সংসার এবং মানসন্মানের ভয়ে চুপ ছিল। গত ১৮-ই মার্চ সকালে পিয়া খাতুন তার চাচা শ্বশুর সালাম শেখের বাড়ি বাড়ীতে যাওয়ার সময় ১নং আসামী তালেব শিকদার রাস্তা আটকিয়ে কু প্রস্তাব দিলে পিয়া খাতুন বাড়িতে ফিরে গিয়ে স্বামী আলআমিন শেখকে জানালে আলআমিন তালেব শিকদারের বাড়িতে নালিশ করতে যায়। এতে তালেব শিকদারের বাড়ির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো আল আমিনকে গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়।
পরবর্তীতে ২০-শে মার্চ (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর পরিকল্পিতভাবে জিন্নাত শিকদারের ছেলে তালেব শিকদার,মোবারক শিকদার,ইকবাল শিকদার,মোবারক শিকদারের ছেলে নাসিম শিকদার সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন মিলে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজজ্জিত হয়ে আতর্কিত হামলা চালিয়ে আল আমিন,জাহাঙ্গীর,আলমগীর শেখদের কে কুপিয়ে গুরুতর খুন জখম করে,
এবং পিয়া খাতুনের গলায় থাকা স্বর্নের চেইন এবং আলমগীরের কাছে থাকা ৩১,৬০০ টাকা ছিনিয়ে বীরদর্পে চলে যায়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী তাদের কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন।
এঘটনায় আহত আল-আমীনের স্ত্রী পিয়া খাতুন বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা নং-১০/৩/২৬।
এবিষয়ে রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর আঃ রাজ্জাক বলেন,আলাইপুরের মারামারির ঘটনায় আল আমিনের স্ত্রী পিয়া খাতুন বাদী হয়ে মামলা করেছে। আসামীদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।