স্টাফ রিপোর্টার:
নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভাধীন লক্ষীপাশা চৌরাস্তা ঢাকা বাস কাউন্টারের সামনে দু'পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর জখম হুমায়ুন ঠাকুর (৫০) চারদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লক্ষীপাশা চৌরস্তা ঢাকা কাউন্টারের সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর জখম হন তিনি।
নিহত হুমায়ুন ঠাকুর লোহাগড়া পৌরসভাধীন কচুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার পরদিন বুধবার (৬ মার্চ) থানায় একটি মারামারির মামলা হয় যা এখন হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হবে। মামলার পরে পুলিশ লোহাগড়া পৌরসভার রাজুপুর গ্রামের ফারুক শেখের ছেলে হায়াতুর শেখ ও হিরু শেখের ছেলে হামীম শেখকে গ্রেফতার করেছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা চৌরাস্তা ঢাকা বাস কাউন্টারের সামনে একজন ভ্যান চালকের সাথে কথা কাটি হয় এরং একপর্যায়ে সেটির সমাধান হয়। এর জেরে মঙ্গলবার রাতে লোহাগড়া পৌর এলাকার রাজাপুর গ্ৰামের কয়েকজন লক্ষীপাশা ঢাকা বাস কাউন্টারের সামনে এসে আবদুল্লাহ ঠাকুর শিপলা ও রুমান নামে দুইজনকে মারধর করে। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে ঘটনাস্থলে দু'পক্ষের লোকজন জড়ো হয়ে আবারো সংঘর্ষে জড়ায় এসময় আব্দুল্লাহ ঠাকুর ওরফে শিপলার পিতা হুমায়ুন ঠাকুরকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুমায়ূন ঠাকুর ও আব্দুল্লাহ ঠাকুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।