আফজল হোসেইন (শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি)
কাল শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং বৈশাখ মাসে উৎপত্তি হয় বলে একে কালবৈশাখী নামে অভিহিত করা হয়।গ্রীষ্মকালে বা এপ্রিল –মে মাসে বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মাঝে মধ্যে বিকালের দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টি হয় থাকে।
রবিবার( ২৮ এপ্রিল) শ্রীমঙ্গল উপজেলার উপর দিয়ে আনুমানিক ৪ ঘটিকায় প্রচন্ড গতিতে এ ঝড় বয়ে যায়,পাশাপাশি শিলা বৃষ্টি হয়।কাল-বৈশাখী ঝড়ে শ্রীমঙ্গলজুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চোখে পড়ে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শ্রীমঙ্গল শহর ও আশপাশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে দোকান ও বাড়ি-ঘরের চাল তুলে নিয়ে যায়।এবং ঝড়বৃষ্টির পানিতে দোকান প্রতিষ্ঠানের মালামাল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ।ঝড়ের তান্ডবে বিভিন্ন এলাকার শতাধিক গাছ হেলে পড়েছে।
শ্রীমঙ্গলের ভানুগাছ রোডের ব্যাবসায়ী এবাদুর রহমান (লুলু)বলেন কালবৈশাখী ঝড়ে আমার তিনটি দোকানের চাল তুলে নিয়ে যায়।এবং লক্ষাধিক টাকার মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।ভানুগাছ রোডের অন্য এক ফার্নিচার ব্যবসায়ী খোরশেদ মির্জা বলেন কালবৈশাখী ঝড় আমার দোকানের টিনের চাল উড়ে নিয়ে যায়, যার কারণে সোফা সেট,পালং,আলমারি,ড্রেসিংটেবিল সহ অসংখ্য মালামাল বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে।
এছাড়াও পূর্ব বিরাহীমপুর এলাকার বাসিন্দা মো:হাসান মিয়া বলেন আমর ঘরের চাল তীব্র বাতাসে দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে এবং ঘরে বৃষ্টির পানি পরে অধিকাংশ আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।ঝড়ের তান্ডবে কাকিয়াবাজার,কালাপুর,ভৈরবগঞ্জ এলাকায় বাড়ি ঘরের টিনের চাল দুমড়ে মুচড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এবং কি
কালবৈশাখী ঝড়ে শ্রীমঙ্গলে বিভিন্ন সড়কের পাশে বিদ্যুৎ এর খুটি হেলে পড়েছে যার ফলে পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।