মোঃ আনিসুর রহমান শেলীঃ
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী মুক্তা বেগমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় ছেলে মোরাদ হোসেন পলাতক থাকায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত মুক্তা বেগমের স্বামী আলহাজ্ব মিয়া দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। জানা যায়, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ চলছিল, যা ধীরে ধীরে একটি অশান্ত জীবনে রূপ নিয়েছিল।
ঘটনার দিন সকালে ছেলে মোরাদ তার ছোট বোনকে নিয়ে নানীর বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় উদ্বেগ। কিছুক্ষণ পরই নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখতে পান—এক কোণে পড়ে আছে মুক্তা বেগমের নিথর দেহ।
মায়ের এমন পরিণতি যেন মেনে নিতে পারছে না কেউই। ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে, কারণ এরপর থেকেই ছেলে মোরাদ পলাতক। পরিবারের ধারণা, এই ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
অন্যদিকে, নিহতের বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ—মুক্তা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দাবি, এর পেছনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জড়িত।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছেন। তিনি আরো ব্যাখ্যা করেন যেহেতু ছেলে পলাতক, তাই ছেলেই হত্যাকান্ড ঘটিয়াতে পারে বলে মন্তব্য করেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।