1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

সাংবাদিকের বিপদে প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা সম্পাদকই সত্যিকারের অভিভাবক

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪২০ বার পড়া হয়েছে

 

সাংবাদিকতা সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ একটি পেশা। সত্য অনুসন্ধানের পথে সাংবাদিকদের প্রায়ই নানা ধরনের হুমকি, ভয়ভীতি কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়। কখনো কখনো তাঁদের কারাগারের অন্ধকার কুঠুরিতেও দিন কাটাতে হয়। এমন সময় একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হয়ে দাঁড়াতে পারেন তাঁর প্রতিষ্ঠানপ্রধান—সম্পাদক বা পরিচালক।

যখন কোনো সাংবাদিক বিপদের মুখে পড়েন, তখন যদি তাঁর হাউজের কর্ণধার সন্তানের মতো আগলে রাখেন, খোঁজখবর নেন, পাশে দাঁড়ান—তখন তাঁর ভেতরে নতুন সাহস জন্ম নেয়। তখন সাংবাদিক উপলব্ধি করেন, তিনি একা নন; তাঁর পাশে আছে শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। আর সেই ভরসাই তাঁকে আরও দৃঢ়ভাবে সত্যের সন্ধান করতে অনুপ্রাণিত করে।

তবে বাস্তবতায় অনেক সময় দেখা যায়, বিপদের মুহূর্তে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপেক্ষিত থেকে যান। অথচ তাঁরাই সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের প্রাণ। কলমের আড়াল থেকে কিংবা ক্যামেরার পেছনে থেকে তাঁরাই অক্লান্ত পরিশ্রমে মানুষের অজানা সত্যকে সামনে নিয়ে আসেন।

এই প্রেক্ষাপটে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা সহযোদ্ধাদের জন্য ভরসার প্রতীক হয়ে আচমকা দাঁড়িয়ে যান। তেমনি একজন হলেন সাংবাদিক ও অভিনেতা এম এইচ মুন্না। তাঁর নিঃশ্বাসে মিশে আছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্পন্দন। দেশের এক জেলা থেকে আরেক জেলায় নিরলসভাবে ঘুরে বেড়ান কেবল তথ্যের খোঁজে।

শুধু সাংবাদিক হিসেবেই নয়, অভিনয় জগতেও তিনি সমানভাবে পরিচিত। কিন্তু তাঁকে সবচেয়ে আলাদা করেছে তাঁর মানবিকতা ও দায়বদ্ধতা। তিনি যেই প্রতিষ্ঠানেরই নেতৃত্বে থাকুন না কেন, বিপদের মুহূর্তে সহকর্মীদের একা ফেলে যান না। নিজের আপন ভাইয়ের মত সাংবাদিকদের আগলে রাখেন নির্ভরতার মতো।

অনেক সম্পাদক কেবল দূরে বসে নির্দেশ দেন। কিন্তু এম এইচ মুন্না তার ব্যতিক্রম। সাংবাদিকতার মাঠে নেমে যেমন সত্যের সন্ধানে সাহসী, তেমনি সহকর্মীদের সংকটে হয়ে ওঠেন অভিভাবক ও শক্তির উৎস। আর এই কারণেই তাঁকে শুধু একজন সম্পাদক নয়, বরং একজন নেতৃত্বগুণসম্পন্ন সাংবাদিক বলা যায়।

সত্যিই, সাংবাদিকতা বাঁচে তখনই—যখন সাংবাদিকের কলমের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বও প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে নেয়। আর সম্পাদক যদি সেই দায়িত্ব হৃদয়ে ধারণ করেন, তবে তাঁরাই হয়ে ওঠেন সাংবাদিকের আসল অভিভাবক।

লেখক : মো: তোফায়েল আহমেদ
মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ : দৈনিক গনতদন্ত

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট