1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
March 23, 2026, 10:00 pm
Title :
জনগনের সুবিদার্থে বিনামুল্যে ওয়াইফাই সুবিদা করে দেওয়া হয়েছে – ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী   জিয়াউর রহমান ৭৪এ দুর্ভিক্ষ থেকে সমৃদ্ধ অর্থনীতি দেশ গড়ে তুলেছিলেন—–মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আযম রূপসায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।  জনগণকে ভালো রাখা বিএনপির কমিটমেন্ট:— ফকির মাহবুব আনাম স্বপন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশ— আহমেদ আজম খান। টাঙ্গাইলে একদিন আগেই ৪০ পরিবারের ঈদ উদযাপন গজারিয়ায় অবৈধ চুনা কারখানা শুরুর আগেই উচ্ছেদ. রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান রুনু-র ঈদ উপহার পেলেন ৩৫০ জন।  সালথায় ১ মন পেঁয়াজে মিলছে না ১ কেজি ইলিশ রূপসায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৯০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ। 

সালথায় কুমার নদী দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ: হুমকিতে নদীর পরিবেশ

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, December 31, 2025,
  • 182 Time View

 

 

 

সাইদ গাজী , সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের সৌন্দর্য কুমার নদী, এই নদী জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্রদক্ষিন করেছে। বর্তমান দখলে দুষনে নদীর অস্তিত্ব বিলিনের পথে। তেমনি জেলার সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড়দিয়া এলাকায় কুমার নদী দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

 

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বডদিয়া গ্রামে স্বরূপদিয়া-বড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুমার নদীর জায়গা দখল করে স্থানীয় ধলা ফকিরের ছেলে জিয়া ফকির (৫০) একটি পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। ঘটনাস্থলে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়। নদীর বুক ভরাট করে ইট, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে ভবনের ভিত্তি নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, কুমার নদী একসময় এই অঞ্চলের প্রধান জলাধার ছিল। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি কৃষিজমিতে পলি এনে উর্বরতা বাড়াত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও ভরাটের ফলে নদী ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে নদী প্রায় মৃত খালে পরিণত হচ্ছে। নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একজন দখল করলে আরও দখলের সম্ভাবনা রয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কুমার নদী সম্পূর্ণভাবে দখল ও ভরাট হয়ে যাবে। তারা অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

 

পাকা স্থাপনা নির্মাণকারী জিয়া ফকিরের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, তহশিলদার অফিস থেকে লোকজন এসে কাজ বন্ধ করতে বলেন। সে অনুযায়ী আমি কাজ বন্ধ করি। পরে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উপস্থিত হয়ে জানান, ইউএনও মহোদয়ের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে আপনি কাজ করেন।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কেউ কোনো কথা বলেনি। আমি তাকে চিনিও না। মাত্রই বিষয়টি জানতে পারলাম। আমি এখনি এ্যাসিল্যান্ডকে বিষয়টি জানাচ্ছি। সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার বলেন, নদীর মধ্যে কোনোভাবেই ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট