নিজস্ব সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ বাজারে গোল্ড(স্বর্ণ) ব্যবসা ও ঔষুধ ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে।
জানাযায়,দীর্ঘদিন যাবত আউলিয়াবাদ ও আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের সংখ্যা দিনদি বেড়ে যাচ্ছে এতেকরে মাদক ব্যবসাও প্রসারিত হচ্ছে। এলাকার উঠতি বয়সের তরুন যুবক ও শিক্ষার্থীরা মরন নেশায় আসক্ত হচ্ছে, যার ফলে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে সমাজের সম্ভাবনাময় তরুন জনগোষ্ঠী ।
তাছাড়াও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের একটি বড় অংশও মরননেশা মাদকে আসক্ত হয়ে,নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পরছেন। বাড়ছে পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতা।
একটি সূত্র জানিয়েছে,আউলিয়াবাদ কলেজ মার্কেটে গোল্ড (স্বর্ণ) ব্যবসার আড়ালে জনৈক ব্যক্তি মাদকের বড়বড় চালান (ইয়াবা,গাঁজা,এমনকি দেশীয় চুলাই বাংলা মদ ) এনে তার বিশ্বস্ত এজেন্টদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ওইসব এলাকার মাদকসেবীরাই বিক্রেতা হিসাবে খুচরা বিক্রি করছেন। একসময়ের দীনহীন মাছ বিক্রেতার পুত্র মাদক ব্যবসা করে স্বল্প সময়ে বিশাল বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন। এছাড়াও তার বিরোদ্ধে সোনা চোরাচালানীর সাথে যুক্ত থাকারও অভিযোগ আছে। কথিত আছে একাধিকবার তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করলেও সাবেক এমপি হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর মধ্যস্থতা ও বড় অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড় পায়। ওই ব্যক্তি মহাজনী সুদের ব্যবসার সাথেও যুক্ত আছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্বর্ণের গহনা বন্ধক রেখে সুদে টাকার ব্যবসা করে স্থানীয় অনেকের সাথেই প্রতারণা করে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের গহনা আত্মসাৎ করেছেন বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে ওই মাদক ব্যবসায়ীর রয়েছে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী ।তাছাড়াও সে এলাকার কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তির সাথে সখ্যতা তৈরি করে নিজেকে নিরাপদ রাখার কুট কৌশল অবলম্বন করে আসছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন ওই মাদক ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা গেলে এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ হতে পারে।