আঃ মান্নান (স্টাফ রিপোর্টার) : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭-তম জন্মবার্ষিকী (১৪৩৩ বাংলা/২০২৬ ইং) উদযাপন উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আজ ৯-ই জুন সকালে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম এবং রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমান।
রূপসা উপজেলা শিক্ষা দপ্তরের সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর এহতেশামুল হক,রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা লবিবুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াছ হোসেন, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ও সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, রূপসা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক কমল চন্দ্র সানা, জামায়াতে ইসলামী নেতা হাফেজ জাহাঙ্গীর ফকির, প্রভাষক সুদীপ্ত মহলী এবং সহকারী শিক্ষক রাজীব মহলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অমর কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছে। বিশেষ করে “বিদ্রোহী” কবিতা শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।নজরুল শুধু কবি নন, তিনি একটি চেতনার নাম। তাঁর লেখনী ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে মানবতার জয়গান গেয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে তাঁর আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নজরুল চর্চা বৃদ্ধি, তাঁর সাহিত্য পাঠ্যসূচিতে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সৃষ্টি আরও বেশি উপস্থাপনের আহ্বান জানান বক্তারা।
সবশেষে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নজরুলের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।