মোছাঃ ববিতা আক্তার
ক্রাইম রিপোর্টার
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায়,চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় তিন ঘন্টার বৃষ্টি পাতে ডুবে যায় ঢাকা টু টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিশ্বাস পাড়া গ্রাম।
আজ ভোর ৪ টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটসহ ডুবে যায় ওষুধের ফার্মেসি, চাউলের গোডাউন,গাড়ির গ্যারেজ, বিভিন্ন দোকানপাট সহ বেশ কয়েকশো ঘরবাড়ি।
বিশ্বাস পাড়া গ্রাম টি ঢাকা টু টাঙ্গাইল মহাসড়কের হাতের বাম দিকে অবস্থিত। এখানে বসবাস করে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ,গ্রামটি ডুবে যাওয়ায় মানুষগুলো এখন ভোগান্তিতে পড়েছে ,করতে পারছে না রান্না জুটছে না খাবার ।
মুদি দোকানের লাখ লাখ টাকার পণ্য এখন পানির উপরে ভাসছে।
সাহস করে খুলতে পারছে না দোকানের শাটার, কারণ শাটার খোলা মাত্রই দোকানের পণ্যগুলো সব ভেসে যাবে এই ভয়ে। অনেক ব্যবসায়ী তো কান্নাই করে ফেলেছে।
তারা বলছে যে সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে এই দোকানটি দাঁড় করিয়েছিলাম,কিন্তু তা এভাবে পানিতে ভেসে যাবে বুঝতে পারেনি
কি করবো এখন আমরা কি করে পেট চলবে আমাদের । আরেকজন কসমেটিক ব্যবসায়ী মোঃ মনির বলে যে আমি তো বেশ কয়েক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এই ব্যবসাটি দার করিয়েছিলাম, আমার তো সব শেষ আমি তো আমার পরিবার নিয়ে পথে বসে গেলাম।
ফার্মেসী গুলোতে প্রায় কয়েক লক্ষ টাকার ওষুধ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
মোঃ জাকির এর চাউলের গোডাউনে
প্রায় ৩০০ বস্তা চাউল ভিজে যায়
অটো গাড়ির গ্যারেজ গুলোতে সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ উপরে গাড়ি ডুবে যায়।
অটোচালকরা হাহাকার করছে, কয়েকজন বলছে দীর্ঘদিন চাকরি করে টাকা জমিয়ে এই একটা গাড়ি কিনেছি সেই গাড়িটিও এখন পানির নিচে
আবার অনেকেই বলছে কিস্তিতে অটো গাড়িটি নিয়েছি এখনো টাকা পরিশোধ করতে পারিনি
টাকা পরিশোধ করার আগেই গাড়িটি পানির নিচে ডুবে গিয়েছে কিভাবে শোধ করব এই কিস্তির টাকা।
তারা আরো বলতেছে যে পানি কমে গেলেও গাড়ি বের করতে পারলেও
বেশ কিছু জিনিস ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে, যেমন মটর,কন্ট্রোলার, ফুটবল, এমনকি ব্যাটারিও নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাস্তাঘাট বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় অনেক গার্মেন্ট শ্রমিক ডিউটিতে যেতে পারেনি।
অপরদিকে হাইওয়েতে পানি ওঠার ফলে, গাড়ি চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে, গাড়ি চালকরা জানান যে এই
রোডে দীর্ঘদিন গাড়ি নিয়ে চলাচল করেছি কিন্তু কখনো এরকম পানি এর আগে কখনো দেখিনি।