মোঃ আনিসুর রহমান শেলী : টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার খাল খনন প্রকল্পে নয়ছয়সহ ব্যাপক অনিয়ম,দূর্নীতি সরকারি অর্থ অপচয় ,আস্মসাৎ এর গুরুতর অভিযোগে
৬ লাখ ২৬ হাজার ৫ শত ২৬ টাকা রাস্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে।
২০২৫ - ২০২৬ অর্থবছরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইলের সন্নিকটে কুমর্সী বিল(কুমরী) হতে গোয়ারিয়ার খোরশেদ ডাক্তারের জমি পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি ২৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৭ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ওই প্রকল্পটি গ্রহন করেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অধীনে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়।
স্থানীয়দের দাবী,প্রকল্প প্রনয়ন সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ,বাস্তবায়ন কমিটির খামখেয়ালিপনা ও অর্থলিপ্সায় প্রকল্পটি সুফলের পরিবর্তে জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুনে ।
স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দূর্ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত সুফল তো আনতেই পারেনি, বরং আরও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুনে।
সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার তারিখ ছিল ৩ মে ২০২৬ এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন ২০২৬।
১০ মে ২০২৬ প্রকল্পটির প্রথম উদ্বোধন করেন তৎকালিন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন দ্বিতীয় দফায় উদ্বোধন করেন।
২২ জুন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই কাজের সমাপ্তির ঘোষণা করেন।
স্থানীয় কুমুর্সী বিল হতে খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করে জলাবদ্ধতা দূর করা, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে ওই প্রকল্পটি গ্রহন করা হয় বলে জানিয়েছে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায় অফিস।
খালের খনন কাজ শেষ না করেই তড়িঘড়ি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ওই প্রকল্পের প্রাক্কলিত সমুদয় অর্থ উত্তোলনের জন্য কাগুজে মাস্টাররোল বিল ভাউচার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেন।তৎকালীন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম খালটির খননকাজ পরিদর্শন করে প্রকল্পের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিলটি আটকিয়ে দেন।
স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দূর্ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত সুফল তো আনতেই পারেনি, বরং আরও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুনে।
স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, কুমর্সী বিলের শেষ প্রান্ত হতে নির্ধারিত অংশ পর্যন্ত খনন না করে কাজ শেষ করায় প্রকল্পটি তার মূল উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
জানাযায়,২৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৭ টাকা ব্যয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইলের সন্নিকটে কুমর্সী বিল(কুমরী) হতে গোয়ারিয়া খোরশেদ ডাক্তারের জমি পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন ১ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি গ্রহন করেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অধীনে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দূর্ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত সুফল তো আনতেই পারেনি, বরং আরও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুনে।
সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার তারিখ ছিল ৩ মে ২০২৬ এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন ২০২৬।
প্রকল্পটির সভাপতি,পারখী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন , নুর জাহান, রোজিনা ইয়াসমিন, জাহানারা খাতুন , বিএনপি নেতা মো. এমদাদুল হক মিয়া ও পারখী মুনির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার চন্দ ।
১০ মে ২০২৬ প্রকল্পটির প্রথম উদ্বোধন করেন তৎকালিন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন দ্বিতীয় দফায় উদ্বোধন করেন।
২২ জুন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই কাজের সমাপ্তির ঘোষণা করেন।
স্থানীয় কুমুর্সী বিল হতে খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করে জলাবদ্ধতা দূর করা, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে ওই প্রকল্পটি গ্রহন করা হয়। খাল খনন কাজ শেষ না করেই তড়িঘড়ি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ওই প্রকল্পের প্রাক্কলিত সমুদয় অর্থ উত্তোলনের জন্য কাগুজে মাস্টাররোল বিল ভাউচার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেন।তৎকালীন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খায়রুল ইসলাম খাল খননকাজ পরিদর্শন করে প্রকল্পের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিলটি আটকিয়ে দেন।
কাল খালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হয়নি।স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, কুমর্সী বিল হতে নির্ধারিত অংশ পর্যন্ত খনন না করে কাজ শেষ করায় প্রকল্পটি তার মূল উদ্দেশ্য অর্জনে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল পুনঃখননের পরিবর্তে অনেক স্থানে সরু ড্রেনের মতো করে মাটি কাটা হয়েছে। প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী খালটি কোথাও ৫ থেকে ১৫ ফুট চান্দি এবং খালের পাড়ের নীচের ব্যাস ১৫ থেকে ৪৫ ফুট গোড়ালী হওয়ার কথা। খালটি ২৫ ফুট থেকে ৪৫ ফুট প্রশস্ত ও ১১থেকে ১৮ ফুট গভীর করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পানি প্রবাহের নিমিত্তে প্রয়জনীয় সংখ্যক নল (চুংগী) নির্মাণের কথা থাকলেও বাস্তবে তা করা হয়নি বলে স্থানীয়দের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে,তারা বলছেন, খালের দুইপাড়ের বাধের কারনে পার্শ্ববর্তী বিস্তৃর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলী জমির আবাদী ফসল বিনষ্ট হবে।এতেকরে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষির উৎপাদ ও কৃষক।
এছাড়া ভিয়াইলের কুমুর্সী বিলের প্রান্ত থেকে খালের সংযোগ নিশ্চিত না করে খোরশেদ ডাক্তারের জমি পর্যন্ত খালের খননকাজ শেষ করা হয়েছে,যারফলে বিল থেকে খালে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং খোরশেদের জমি পর্যন্ত গিয়ে খনন কাজ শেষ করায় পরবর্তী অংশ খনন না করায় এতে কৃষকরা কোনো লাভবান হচ্ছেনা এবং ওই প্রকল্পের কোন সুফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়াও প্রকল্পে কাজে ১ কিঃমিঃ এর মধ্যে প্রায় ১শত মিটার খননকাজ না করেই প্রকল্প কমিটি প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছেন।
ওই প্রকল্পটিতে সবুজায়নের জন্য খালের দুইপাড়ে গাছের চারা রোপণের কথা থাকলেও অল্পসংখ্যক নিম্নমানের চারা লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচর্যার অভাব এবং গরু-ছাগলের অবাদ বিচরনের কারণে ইতোমধ্যে অধিকাংশ চারা বিনষ্ট হয়ে গেছে। প্রকল্পটিতে শ্রমিক নিয়োগ ও মজুরি পরিশোধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। জনসচেতনতায় সর্বসাধারনের জ্ঞাতার্থে প্রকল্প এলাকায় প্রকল্পটির তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন করার বিধান থাকলেও প্রকল্প কমিটি স্থানীয়দের সাথে কাজের প্রতারনা করতে কোন সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইলের সন্নিকটে কুমুর্সী বিল (কুমারী বিল) হতে ভিয়াইল হয়ে গোয়ারিয়া গ্রামের খোরশেদ ডাক্তারের জমি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খাল খনন শীর্ষক প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২৫ লাখ ৭৯ হাজার ১শত ৪৭ টাকা।
সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার তারিখ ছিল ৩ মে ২০২৬ এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন ২০২৬।
প্রকল্পটির সভাপতি,পারখী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন , নুর জাহান, রোজিনা ইয়াসমিন, জাহানারা খাতুন , বিএনপি নেতা মো. এমদাদুল হক মিয়া ও পারখী মুনির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার চন্দ ।
১০ মে ২০২৬ প্রকল্পটির প্রথম উদ্বোধন করেন তৎকালিন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন দ্বিতীয় দফায় উদ্বোধন করেন। এরপর ২২ জুন টাঙ্গাইল জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর একেএম আব্দুল আওয়াল প্রকল্পের কাজ সমাপ্তির ঘোষণা দেন।
প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করে জলাবদ্ধতা দূর করা, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের দুর্ভোগ কমানো। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পরও খালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমর্সী বিল হতে নির্ধারিত অংশ পর্যন্ত খনন না করে কাজ শেষ করায় প্রকল্পটি তার মূল উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল পুনঃখননের পরিবর্তে অনেক স্থানে সরু ড্রেনের মতো করে মাটি কাটা হয়েছে। প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী খালটি কোথাও ৫ থেকে ১৫ ফুট চান্দি এবং খালের পাড়ের নীচের ব্যাস ১৫ থেকে ৪৫ ফুট গোড়ালী হওয়ার কথা। খালটি ২৫ ফুট থেকে ৪৫ ফুট প্রশস্ত ও ১১থেকে ১৮ ফুট গভীর করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পানি প্রবাহের নিমিত্তে প্রয়জনীয় সংখ্যক নল (চুংগী) নির্মাণের কথা থাকলেও বাস্তবে তা করা হয়নি বলে স্থানীয়দের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে,তারা বলছেন, খালের দুইপাড়ের বাধের কারনে পার্শ্ববর্তী বিস্তৃর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলী জমির আবাদী ফসল বিনষ্ট হবে।এতেকরে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষির উৎপাদ ও কৃষক।
এছাড়া ভিয়াইলের কুমুর্সী বিলের প্রান্ত থেকে খালের সংযোগ নিশ্চিত না করে খোরশেদ ডাক্তারের জমি পর্যন্ত খালের খননকাজ শেষ করা হয়েছে,যারফলে বিল থেকে খালে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং খোরশেদের জমি পর্যন্ত গিয়ে খনন কাজ শেষ করায় পরবর্তী অংশ খনন না করায় এতে কৃষকরা কোনো লাভবান হচ্ছেনা এবং ওই প্রকল্পের কোন সুফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়াও প্রকল্পে কাজে ১ কিঃমিঃ এর মধ্যে প্রায় ১শত মিটার খননকাজ না করেই প্রকল্প কমিটি প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছেন।
ওই প্রকল্পটিতে সবুজায়নের জন্য খালের দুইপাড়ে গাছের চারা রোপণের কথা থাকলেও অল্পসংখ্যক নিম্নমানের চারা লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচর্যার অভাব এবং গরু-ছাগলের অবাদ বিচরনের কারণে ইতোমধ্যে অধিকাংশ চারা বিনষ্ট হয়ে গেছে। প্রকল্পটিতে শ্রমিক নিয়োগ ও মজুরি পরিশোধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। জনসচেতনতায় সর্বসাধারনের জ্ঞাতার্থে প্রকল্প এলাকায় প্রকল্পটির তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন করার বিধান থাকলেও প্রকল্প কমিটি স্থানীয়দের সাথে কাজের প্রতারনা করতে কোন সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. আবুল হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের কাজ যথাযথ নিয়মে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি স্থানীয়ভাবে কিছুটা সমস্যাও তৈরি হয়েছিল খালের পাশে যাদের জমি রয়েছে তারা কিছুটা প্রতিবন্ধকতার চেষ্টা করেছেন তারপরও আমরা সকলের সহযোগিতায় খাল খনন কাজ সম্পন্ন করেছি এবং কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পে নয়ছয় করে সরকারি অর্থ অপচয় ও আত্মসাৎ এর ঘটণায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা প্রকল্পের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।