সাইদ গাজী,সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫শে আগস্ট ) উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মুন্তার মোড় বাজার, বড় বাংরাইল এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকারীরা ৮/১০টি বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
জানা যায়, স্থানীয় বকুল মোল্যা ও মিশরু মিয়া এক সময় একই দল করলেও বর্তমানে তারা আলাদা দল গঠন করে। এ নিয়ে দুগ্রুপের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এছাড়া বকুল মোল্যার সমর্থক মনির বিশ্বাস ও মিশরু মিয়ার মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ও মামলা চলমান ছিলো।সালথায় আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে আহত-১০ বাড়িঘর ভাংচুর
সাইদ গাজী,সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫শে আগস্ট ) উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মুন্তার মোড় বাজার, বড় বাংরাইল এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকারীরা ৮/১০টি বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
জানা যায়, স্থানীয় বকুল মোল্যা ও মিশরু মিয়া এক সময় একই দল করলেও বর্তমানে তারা আলাদা দল গঠন করে। এ নিয়ে দুগ্রুপের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এছাড়া বকুল মোল্যার সমর্থক মনির বিশ্বাস ও মিশরু মিয়ার মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ও মামলা চলমান ছিলো। মঙ্গলবার মিশরু মিয়ার জমি টিলার দিয়ে চাষ করতে গেলে বাধা দেয় বকুল মোল্যার লোকজন এরপরই দুই গ্রুপের মাঝে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষ দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৮/১০ টি বসতবাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে এর দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কিছু জমির ফসল নষ্ট হয়। সংঘর্ষের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
বকুল মোল্যা ও মিশরু মিয়া এলাকায় না থাকায় তাদের কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে সালথা,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবুলুর রহমান খান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষে এড়াতে ঐ এলাকায় পুলিশ টহল বাড়ানো হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে। মঙ্গলবার মিশরু মিয়ার জমি টিলার দিয়ে চাষ করতে গেলে বাধা দেয় বকুল মোল্যার লোকজন এরপরই দুই গ্রুপের মাঝে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষ দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৮/১০ টি বসতবাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে এর দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কিছু জমির ফসল নষ্ট হয়। সংঘর্ষের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
বকুল মোল্যা ও মিশরু মিয়া এলাকায় না থাকায় তাদের কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে সালথা,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবুলুর রহমান খান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষে এড়াতে ঐ এলাকায় পুলিশ টহল বাড়ানো হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।