সাইদ গাজী, সালথা,(ফরিদপুর)
প্রতিনিধি :
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা, অভাব আর কষ্টের জীবন পেরিয়ে এবার নতুন স্বপ্ন দেখছে সোহেলের পরিবার। অন্যের গরুর ঘরে মানবেতর পরিবেশে দিন কাটানোর সেই কঠিন অধ্যায়ের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের জন্য তৈরি হচ্ছে একটি নিজস্ব ও নিরাপদ থাকার ঘর।
শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করেই থেমে থাকছে না এই উদ্যোগ। পরিবারটির ভবিষ্যৎ যেন আরও সুন্দর ও স্বাবলম্বী হয়, সে লক্ষ্যেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। তাদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি দোকানঘর—যেখান থেকে আয় করে পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ধীরে ধীরে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
একটি ঘর হবে তাদের নিরাপদ আশ্রয়, আর একটি দোকান হতে পারে পরিবারের নতুন জীবনের আয়ের পথ। দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্টের পর এই উদ্যোগ সোহেলের পরিবারের জীবনে বয়ে আনছে আশার আলো।
এই মানবিক উদ্যোগের আর্থিক সহযোগিতা ও সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবিরউদ্দিন। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু সোহেলের পরিবার নয়—সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। কারণ, একটি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া শুধু একটি ঘর তৈরি করা নয়; বরং একটি পরিবারের নতুন করে বাঁচার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।
সোহেলের পরিবারের চোখে এখন নতুন স্বপ্ন—নিজের একটি ঘর, নিজের একটি দোকান, আর নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার প্রত্যয়।
একটি ঘর বদলে দিতে পারে একটি পরিবারের জীবন, আর একটি দোকান খুলে দিতে পারে স্বাবলম্বিতার দরজা।