মানিকগঞ্জ থেকে জাহাঙ্গীর আলম লিটন
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে মানিকগঞ্জ ঘিওর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ৭ং নালী ইউনিয়নে বাড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক উত্তাপ ও নির্বাচনী আমেজ। বিভিন্ন ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের জন্য পরিচিত গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আনাগোনা এবং গণসংযোগে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রতিটি গ্রাম, হাট-বাজার ও অলিগলি।
নির্বাচনী এই হাওয়ায় বর্তমানে সরগরম উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মাসুদুল ইসলাম এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের সার্বিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে তিনি দিনরাত ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে মোঃ মাসুদুল ইসলাম প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, চা-দোকান এবং জনবহুল স্থানে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনছেন তিনি। স্থানীয় প্রবীণ ও যুবসমাজসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এলাকার অবহেলিত অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
গণসংযোগকালে মোঃ মাসুদুল ইসলাম বলেন:
নালী ইউনিয়ন মানিকগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে ব্যাপক উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকলেও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে নাগরিক সুবিধাগুলো শতভাগ নিশ্চিত হয়নি। আমি কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, বরং স্থানীয় জনগণ ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে নালী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসনে সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।"
প্রচারণাকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মাসুদুল ইসলাম ইউনিয়নবাসীর সামনে তাঁর ভবিষ্যত পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
অবকাঠামোগত উন্নয়ন: ইউনিয়নের ভেতরের কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট পাকা করা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন।
এলাকা কেন্দ্রিক সুশাসন: স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এলাকাগুলোর সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা। সামাজিক ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা: ইউনিয়ন পরিষদের সকল সুযোগ-সুবিধা এবং ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বিতরণ শতভাগ স্বচ্ছ রাখা।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজে উৎসাহিত করে একটি মাদকমুক্ত সবুজ ইউনিয়ন গড়ে তোলা।৷৷ এলাকার সাধারণ ভোটাররা জানান, দলীয় পরিচয়
কেন্দ্রিক নয়; প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, সততা ও সুখে-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতাই প্রধান বিষয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "আমরা এমন একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে চাই, যিনি সব সময় এলাকার খবর রাখবেন এবং সহজলভ্য হবেন।"