
হাজারো মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ডিমলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য আবুল কাশেম সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার(১৫ ডিসেম্বর) বাদ জোহর ডিমলা উপজেলা পরিষদ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো লোক জানাজায় অংশ নেয়। জানাজা শেষে গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তি, উপজেঋলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা মৃত্যুত গভীর শোকাহত ও মর্মাহত মর্মে শোকবার্তা দিয়েছেন।
তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় ডিমলা বাবুরহাট তার নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। পরে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে আর তিন কন্যাসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুম আবুল কাশেম সরকার গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ডিমলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের ছোট ভাই।
তার মৃত্যুতে উপজেলাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। তার ডিমলা উপজেলা মাঠে রক্ষিত মরদেহে শ্রদ্ধা ও শোক জানাতে আসেন উপজেলা প্রশাসন অঙ্গনের কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ, জেলা-উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবন্দগণ।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. মমতাজুল হক, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন, ডিমলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম, নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ,, ডোমার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল হোসেন, ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর নীলফামারী জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, জামায়াত নেতা মাওলানা মজিবুর রহমান, ডিমলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু, খড়িবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মইনুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন সরকার, ছাত্রলীগ নেতা আবু সায়েম সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা চয়োন সরকারসহ প্রমুখ।