
গাজীপুর প্রতিনিধি।
গাজীপুর জেল কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নে দীর্ঘ চব্বিশ ধরে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতি করে আসছেন বাবুল খান। আসছে রায়েদ ইউনিয়নের যুবলীগের সম্মেলন।
সভাপতি পদপ্রত্যাশী নেতারা ইতোমধ্যে এলাকায় সাঁটিয়েছেন শুভেচ্ছা পোস্টারও।
যুবলীগের সভাপতি পদে আসতে তৎপর যুবলীগের নেতারা। স্থানীয় ও কেন্দ্রের নেতাদের কাছে নিজেদের আত্ম সামাজিক পরিচয় তুলে ধরে নিজেদেরকে যুবলীগের যোগ্য প্রার্থী হিসাবে জাহির করতে জোরে সোরে প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে অনেক প্রার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন যুবলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী বাবুল খান। রায়েদ ইউনিয়নের তৃণমুলের তুখোড় নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি। বাবুল খান এলাকা জুড়ে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করছেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমুল পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সক্রিয় রাজনীতি করে আসছেন। তার রাজনৈতিক জীবনে অসহায়দের সহযোগিতা করে তিনি ওই ইউনিয়নবাসীর কাছে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন।
তিনি কখনো নিজের স্বার্থের কথা ভাবেননি।
দলের জন্য তার দীর্ঘ জীবনে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন সব কিছু। তিনি সভাপতি পদে নিজের নামটি অন্তর্ভুক্ত করতে ইচ্ছা পোষন করেছেন। তার ইচ্ছা রায়েদ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে তৃণমূল যুবলীগকে নিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা।
এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের যুবলীগের নেতা-কর্মীরা জানান, আমরা এবার বাবুল খান ভাইকে রায়েদ ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি হিসাবে দেখতে চাই। এ জন্য তার প্রতি সব সময় আমাদের দোয়া ও আশির্বাদ রয়েছে।
তিনি যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হলে নেতা-কর্মীদের মাঝে যে টানাপোড়েন আছে তা শেষ হয়ে যাবে। রায়েদ ইউনিয়নে যুবলীগ চাঙ্গা হবে। সাধারণ যুবলীগ কর্মীরা প্রাণ খুলে কথা বলতে পাবে সভাপতির সাথে।
ইউনিয়নের অবহেলিত নেতাকর্মীরা মনোবল ফিরে পাবে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিমিন হোসেন রিমি এমপির হাতকে আরো শক্তিশালী করতে তৃণমুল যুবলীগের নেতাকর্মীদের মাঠে ফেরাতে বাবুল খানের বিকল্প নেই।