
স্টাফ রিপোর্টারঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মারীখালী নদ দখল করে অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হোসেন।
নদ ও খাস জমি দখল করেছেন উল্লেখ করে গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রতিবেদন অসত্য ও উদ্যেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হোসেন।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থাপনা নির্মাণে নদের জায়গা ও সরকারি (খাস) জমি দখল করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এমনকি ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে মহড়া দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয় মোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে।
মোজাম্মেল হোসেনের দাবি, সোনারগাঁ পৌরসভার সাহাপুর মৌজার ১৬১ ও ১৬২ দাগে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে। ক্রয়কৃত জমির শ্রেণী সি.এস. ও আর.এস. মোতাবেক ‘নাল’ উল্লেখ থাকলেও এস.এ. খতিয়ানে ভুল বসত রেকর্ডে ‘খাল’ চলে আসে। পরবর্তীতে রেকর্ড সংশোধনের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে পৃথকভাবে দুটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করি (মামলা নং ১৮১/২০২৩ইং ও ৩০৯/২০২৩ইং)। কিন্তু আমি নদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে কাউকে ভয় বা কারো বিরুদ্ধে মামলা করিনি। উল্টো তার ক্রয়কৃত জমি দখলের উদ্দেশ্যে জয়নাল, জিয়াউর হক মিয়া ও শাহজালালের নেতৃত্বে প্রায় ২০-২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তার বাড়িতে হামলা চালায়। প্রাণসংশয়ে থেকে তিনি ওই তিন জনের বিরুদ্ধে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নারায়ণগঞ্জ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করি (মামলা নং ৮১৪/২০২৩ইং)।
তাছাড়া সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দলটি তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া পূর্বের ৫ শতক বাড়ি সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র সহযোগিতায় ভেঙে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। তার বাবা মরহুম শের আলী প্রধানের নিকট হতে ১৯৮৩ সালে ৫ শতক জমি ক্রয় করেন (দলিল নং ২১০৫)। পৈতৃক সূত্রে পাওয়ার বহু বছর পর জমিতে বাড়ি নির্মাণ অনুমোদন নিতে গিয়ে পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে বুঝতে পারি জমিটি সি.এস. মোতাবেক নাল থাকলেও এস.এ. ও আর.এস. মোতাবেক ভুল বসত খাস জমির আওতাধীন চলে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে একজন আইনজীবীর পরামর্শে চারজন বাদী হয়ে আদালতে গিয়ে সংশোধনী মামলা করি (মামলা নং ৯৮/২০২১ইং)।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হোসেন আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচার হয়েছে। ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।