
মোঃ আসাদুল ইসলাম
সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় নিয়ম বহির্ভুত ভাবে নাম সুবিধাভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সরকারের টাকা আত্মসাৎ ও ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমুর্তি ও সুনাম ক্ষুন্নের অভিযোগ পাওয়া গেছে এই নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে ।
সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোঃ গোলাম হোসেন পিতা মোঃ আহম্মদ আলী বেপারী এই অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলাধীন সাঘাটা সরদার পাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেন এর ছেলে এই নুরুন্নবী। তিনি একজন পেশাদার দালাল।
সে গাইবান্ধা জেলাধীন সাঘাটা থানার অন্তর্গত ০৩ নং সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের কোন নির্বাচিত সদস্য না হয়েও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিরীহ গরীব, দুস্থ অসহায় ব্যক্তিদের নিকট হইতে বিভিন্ন প্রকার লোভলালসা দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
নিম্নে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের নিকট হইতে টাকা গ্রহণ করে স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় তাহাদের নামে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত ভাতা করে দেওয়ার কথা বলে ফটো ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়ে অনলাইনে আবেদন করেন।
কিন্তু প্রত্যেকটি অনলাইন কপিতে উক্ত মোঃ নুরুনবী নিজের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মোবাইল হিসাব নম্বর অন্তর্ভুক্ত করে। যাহা পরবর্তীতে ভাতার টাকা ঢোকার পর নিজে আত্মসাৎ করেন।
সে দীর্ঘ দিন যাবৎ উপরোক্ত কর্মকান্ড করে এলাকার দুঃস্থ অসহায় গরীব ও নিরীহ লোকদের সহিত প্রতারণা করে ইউনিয়ন পরিষদের সুনাম ক্ষুন্ন করছেন।
স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় যাদের নামে বিধবা ভাতার কার্ড করেছে তাহাদের তালিকাঃ
(০১) মোছাঃ জোলেখা বেগম
পিতাঃ গিয়াস উদ্দিন সর্দার
গ্রামঃ সাঘাটা, সর্দারপাড়া
ওয়ার্ড নং ০৯
(০২) মোছাঃ হাছনা বেগম
পিতাঃ আঃ হামিদ প্রামানিক
গ্রামঃ হাটবাড়ী
ওয়ার্ড নং ০৭
(০৩) মোছাঃ রাবিয়া খাতুন
পিতাঃ মোঃ বুলু সর্দার
গ্রামঃ সাঘাটা সর্দারপাড়া
ওয়ার্ড নং- ০৯
(০৪) দুলালী রানী
পিতাঃ বাশরী মোহন সরকার
গ্রামঃ যোগীপাড়া
ওয়ার্ড নং- ০৪
এ ছাড়াও নূরুন্নবীর মাতা মোছাঃ নূর নাহার বেগম, তার স্বামী জীবিত থাকার পরেও তার নামে বিধবা ভাতা কার্ড করে সে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করছেন।
শুধু তাই নয়- নূুরুন্নবী সম্পুর্ন সুস্থ হয়েও নিজের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।
এছাড়াও উক্ত নূুরুন্নবী নিজের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে, জোলেখা বেগম নামের এক নারীর বিধবা কার্ডের সরকারি টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করছেন ।