1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুক্তি দিবস

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ আসাদুল ইসলাম, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি।

২০০৭সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ১৮ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান।

তারেক রহমানের মুক্তি শুধু একজন নেতার মুক্তির দিন ছিল না; বরং এটি বিএনপি ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। সারাদেশে তার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত সরকারকে চাপের মুখে ফেলে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ১৯৯৭ সাল থেকেই তারেক রহমান দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি গ্রাম থেকে শহর, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র—সর্বস্তরে দলকে পুনর্গঠন করেন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ও দৃঢ় জাতীয়তাবাদী অবস্থান তাকে দ্রুতই দেশ-বিদেশের নানা মহলে আলোচনায় নিয়ে আসে।

২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত সরকারের সময়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৮৩টি মামলা দায়ের করা হয়—যার মধ্যে দুর্নীতি, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ছিল। তবে বেশিরভাগ মামলাই টেকেনি, অনেকগুলোতে তিনি খালাস পান। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে।বর্তমানে তনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন,নেতাকর্মীরা আশাকরছেন অতি শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট