1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

অভিযোগের ভুয়া মহড়া: উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সেলিম খানের প্রতিক্রিয়া

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালনকারী মতলব উত্তর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেলিম খানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একগুচ্ছ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছে- যা নিছক একটি কল্পিত নাটকের স্ক্রিপ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রকৌশল দপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারীরা মূলত দুর্নীতির চক্রে জড়িত একটি স্বার্থান্বেষী মহল, যারা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকারী কর্মকর্তাকে বিভ্রান্ত করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সেলিম খান সরাসরি বলেন, “উপর্যুক্ত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, কল্পনাপ্রসূত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মাঠপর্যায়ে সরেজমিন তদন্ত করলে স্পষ্টভাবে প্রমাণ হবে যে, এসব দাবির সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা এই ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে এবং মানহানির মামলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।”

মূলত দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ফলেই সেলিম খান আজ এই অপবাদে বিদ্ধ হচ্ছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সরকারি বিধিমালার সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করেছেন, যেখানে স্বজনপ্রীতি, নিম্নমানের কাজ কিংবা ঘুষ বাণিজ্যের কোনো সুযোগ ছিল না। বরং, যারা পূর্বে অনিয়মে অভ্যস্ত ছিল, তারাই আজ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে গুজবের জাল বুনেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, বাংলা বাজারে অনুষ্ঠিত কথিত মানববন্ধনের আয়োজকদের অতীত ঘাঁটলেই তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অপকর্ম, তদবির, কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠে আসে। এরা বিভিন্ন সময় প্রকল্প থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা না পেয়ে, এখন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেছে।

অফিসিয়াল কাগজপত্র পর্যালোচনায় স্পষ্ট দেখা যায়- সেলিম খানের আওতাধীন অধিকাংশ প্রকল্পে শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিদর্শনকারী দলগণ এর স্বপক্ষে স্বাক্ষ্য দিয়েছে। কোনো অবস্থাতেই ২০-২৫% বাস্তবায়নের মতো মনগড়া দাবি টিকেনা।

উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার সালাউদ্দিনের ঘুষ গ্রহণের মতো গুরুতর অভিযোগে সেলিম খানের নাম জড়ানো চরম অপেশাদার ও সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালাবিরোধী। বেনামি সম্পদের প্রশ্নে যেসব তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তার একটিরও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আজ পর্যন্ত কোথাও উপস্থাপন করা হয়নি।

সেলিম খান বলেন, “যদি সত্যিই কারো কাছে আমার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ থাকে, তবে তা সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জেলা প্রশাসক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরুক। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদপত্রে নাম ছাপিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো একপ্রকার অপরাধ।”

তিনি আরও জানান, এসব অপপ্রচার বন্ধ না হলে তিনি আইনের শরণাপন্ন হবেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে সরকারের প্রকল্পসমূহ শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট