1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:
জরুরী নিয়োগ চলছে, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

সত্যের কণ্ঠ রুদ্ধের ষড়যন্ত্র: বদরুল আলম খানকে ঘিরে অসাধু মহলের ঘৃণ্য নাট্যরচনা

রিপোর্টারের নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি বলয়ে যখন স্বার্থসন্ধানী চক্রের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ছে, তখন প্রকৃত পেশাদার, নীতিনিষ্ঠ ও কর্মদক্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বোনা এখন এক নতুন শিল্পে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্যের ছোবল নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা এই অপসংস্কৃতিরই সর্বশেষ বিকৃত নিদর্শন।

যে কর্মকর্তা নিজের পেশাদার সততা, দায়িত্বশীলতা এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সহকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁকেই এখন হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একদল সুবিধাবাদী প্রকৌশলী ও ভুঁইফোড় ঠিকাদার গোষ্ঠী উঠে পড়ে লেগেছে। সংবাদ নামে ছদ্মবেশী এই কল্পকাহিনির নেপথ্যে রয়েছে একদল অসাধু, ঈর্ষান্বিত ও ক্ষমতালোভী দুর্নীতিবাজ, যাদের একমাত্র লক্ষ্য সৎ মানুষকে বিতর্কিত করে নিজস্ব নোংরা আধিপত্য টিকিয়ে রাখা।

এই তথাকথিত “গবেষণাধর্মী” সংবাদে যেভাবে বদরুল আলম খানের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার রঙ লাগানো হয়েছে, তা একেবারে হাস্যকর। যেসব প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার নাম ভর করে তাঁকে ‘ক্ষমতার দোসর’ আখ্যা দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হয়েছে, বাস্তবতায় তাদের সঙ্গে তাঁর কোনো প্রকার যোগাযোগ ছবি, ফোনালাপ, এমনকি এক মিনিটের আলাপন পর্যন্ত প্রমাণসাপেক্ষে অনুপস্থিত। অথচ এই শুন্যতার ওপরই একটি অসাধু মহল ষড়যন্ত্রের দুর্গ গড়ে তুলেছে, যেন সত্যের ওপর মিথ্যার কুয়াশা চাপিয়ে দেওয়া যায়।

বদরুল আলম খান, যার কর্মজীবনের প্রতিটি অধ্যায় ঢাকা থেকে ভোলা, চট্টগ্রাম থেকে সাভার পর্যন্ত সততা, মিতব্যয়িতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার সাক্ষ্য বহন করে, তিনিই আজ কুচক্রী মহলের মিথ্যাচারের লক্ষ্যবস্তু। আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক মেয়াদ পেরিয়েও যিনি কখনো ঢাকার তথাকথিত “লাভজনক পোস্টিং”-এর স্বাদ পাননি, বরং দায়িত্ব পালন করেছেন প্রান্তিক জেলায়। তাঁকেই আজ আওয়ামী প্রভাবের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে! এমন অপপ্রচারের হাস্যকরতা এমন যে, সত্য এখন বিদ্রুপে পরিণত হয়েছে।

এই খবরের পেছনে যে দলিল-দস্তাবেজহীন, সূত্রহীন ও তথ্যবিকৃতি নির্ভর প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা গণপূর্ত অধিদপ্তরের সৎ কর্মকর্তাদের কাছে এখন ওপেন সিক্রেট। একটি অসাধু চক্র নিজেদের অসামর্থ্য ঢাকতে এবং প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট করতে ইচ্ছাকৃতভাবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এসব ‘সংবাদের কাটিং’ ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।

বদরুল আলম খান নামটি আজ সেই স্বচ্ছতার প্রতীক, যা অসাধু মহলের চোখে পরিণত হয়েছে অগ্নিশিখায়। তাঁর মতো কর্মকর্তা যতদিন প্রশাসনে থাকবে, ততদিন দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের নিশ্বাস রুদ্ধ থাকবে। এ সত্যই হয়তো তাদের ঘুম হারাম করেছে। তাই মিথ্যার মঞ্চায়ন, গুজবের গাঁথুনি, আর কল্পিত রাজনৈতিক প্রভাবের ছায়া টেনে তাঁকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে।

রাষ্ট্রের ভেতরে যারা দুর্নীতিকে পেশা বানিয়েছে, তাদের হাতে ন্যায়ের কলম কোনোদিন কলঙ্কমুক্ত হতে পারে না। এই সংবাদ সেই কলঙ্কেরই প্রতিফলন। যেখানে প্রমাণের পরিবর্তে উদ্দেশ্য, সত্যের পরিবর্তে কৌশল, আর সততার পরিবর্তে প্রতিহিংসা কাজ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট