1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
March 29, 2026, 9:02 am
Title :
গজারিয়ার আলোচিত জয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি আটক লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, ইউএনওসহ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন সালথা উপজেলা আ:লীগের সাধারণ সম্পাদক ফকির মিয়ার পদত্যাগ রূপসা উপজেলার তালতলা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান বন্ধে সাবেক ইউপি সদস্য বিনয় এবং তার ভাই কমল এর ষড়যন্ত্র অব্যাহত। স্বামীর অনাগ্রহ, টাকার সংকট—মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে আঁখি কর্ম দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি—গাজীপুর সিটিতে পদোন্নতি পেয়ে  অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী – ইঞ্জিনিয়ার –  সুদীপ বসাক টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে একই পরিবারের নারী শিশুসহ পাঁচজন নিহত বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, টাঙ্গাইলের আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভা গাজীপুরে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২,মোটরসাইকেল জব্দ সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

লালমনিরহাটে পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী।

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, November 30, 2025,
  • 173 Time View

 

‎লালমনিরহাট প্রতিনিধি;

‎মো: রব্বানী ইসলাম

‎লালমনিরহাটে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্বামী আব্দুল জলিলকে হত্যার দায়ে তার স্ত্রী মোছাঃ মমিনা বেগম এবং পরকীয়া প্রেমিক মোঃ গোলাম রব্বানীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। রায় অনুযায়ী, দণ্ডিত এই দুই আসামিকে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও তিন মাস জেল খাটতে হবে তাদের।

‎রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ হায়দার আলী এই যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেন। আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আনোয়ার হোসেন মিঠু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎দণ্ডিত মমিনা বেগম জেলা শহরের মাঝাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তার প্রেমিক গোলাম রব্বানী সদর উপজেলার কিসমত ঢঢগাছ এলাকার বাসিন্দা।

‎মামলার নথি ও পিপি’র বক্তব্য অনুসারে, ২০২১ সালের ২১ জুলাই গভীর রাতে মমিনা বেগম ও তার প্রেমিক যৌথভাবে আব্দুল জলিলকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। তারা কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে, বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। নিহত আব্দুল জলিল সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

‎হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা মামলার শুনানিতে মোট ২৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ দণ্ডাদেশ প্রদান করে।

‎পিপি আনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, “আব্দুল জলিলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দিয়েছেন।”

‎মামলার বাদী আব্দুর রশিদ যদিও আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছিলেন, তবে রায় ঘোষণার পর তিনি ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

‎স্থানীয়রা এই রায়কে সামাজিক ন্যায়বিচারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। মামলার মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের নাম করে কেউ জীবনদণ্ডের অপরাধ করতে পারবে না এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

‎লালমনিরহাট প্রতিনিধি/মো: রব্বানী ইসলাম ৩০-১১-২০২৫_

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট