
সৈয়দ মহসিন
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
শনিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার গচিহাটা কলেজ মাঠে আয়োজিত এক কৈফিয়ত সভায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান রঞ্জন বলেন, “জামায়াতে ইসলামী আমাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ, এই বয়সে নতুন করে ঘর বা দল গড়ার সামর্থ্য তার নেই।
মেজর রঞ্জন বলেন, “আমার ঘরে চাল নেই, চুলা নেই—আমি কীভাবে নতুন ঘর বানাবো? কিন্তু জামায়াত আমাকে আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য আমি তাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।”
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি নিজে দল ছাড়িনি—আপনারাই আমাকে বের করে দিয়েছেন। গত তিন বছর আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখেননি। আজ আমাকে নিয়ে গালাগালি করছেন—তাতেও ভালো লাগে, কারণ বুঝতে পারছি আপনারা আমাকে নিয়ে ভাবছেন।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবেন না। জামায়াত ক্ষমতায় এলে তাকে সম্মানজনক অবস্থানে রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
সভায় তিনি দুর্নীতিমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ, শান্তি ও সত্য প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, “প্রয়োজনে পাতাল থেকে তুলে এনে হলেও হত্যাকারীদের বিচার করতে হবে।”
সভায় জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়লসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। সভায় মেজর আখতারের কয়েক হাজার অনুসারী এলাকায় অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।