1. info@dainikgonatadanta.com : দৈনিক গণতদন্ত :
March 26, 2026, 12:07 pm
Title :
টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত গজারিয়া ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গণমাধ্যম একটি শক্তিশালী অংশীদার জেলা প্রশাসক – নুরুল করিম ভূঁইয়া গোপালপুরে রেল দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া এলাকায় বাসাইলে মাদকসহ ২ কারবারি আটক, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার রূপসায় স্ত্রীকে কটুক্তির প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসী কর্তৃক স্বামী-দেবর সহ ৪ জনকে কুপিয়ে জখম। গজারিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় শিল্পায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগনের সুবিদার্থে বিনামুল্যে ওয়াইফাই সুবিদা করে দেওয়া হয়েছে – ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী   জিয়াউর রহমান ৭৪এ দুর্ভিক্ষ থেকে সমৃদ্ধ অর্থনীতি দেশ গড়ে তুলেছিলেন—–মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আযম

নারী কেলেঙ্কারি, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও কোটি টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : Monday, December 22, 2025,
  • 253 Time View

 

‎লালমনিরহা‌ট প্রতিনিধি:

‎মো: রব্বানী ইসলাম

‎নারী কেলেঙ্কারি, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও কোটি টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত লালমনিরহাট টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)-এর অধ্যক্ষ আইনুল হকের বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্যে সাংবাদিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

‎রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টিটিসিতে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিক আহসান সাকিবকে পরিকল্পিতভাবে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ আইনুল হক নিজেই প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে মব তৈরি করে সাংবাদিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেন।

‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, অধ্যক্ষ আইনুল হক অতীতে দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও বর্তমানে লালমনিরহাটে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, নারী কেলেঙ্কারি ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ অর্ধশতাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অদৃশ্য কারণে এখনো তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন।

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক আহসান সাকিব বলেন,

‎“আমি দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ আইনুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করেছি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু বক্তব্য না দিয়ে তিনি সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে হেনস্তা করেন। দুইজন শিক্ষককে ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করা হয়।”

‎তিনি আরও বলেন, অধ্যক্ষ প্রকাশ্যে বলেন— ‘ও কিভাবে প্রতিষ্ঠানে ঢুকেছে, ও কিসের সাংবাদিক, ও চাঁদাবাজি করতে এসেছে’। একপর্যায়ে শিক্ষক নারায়ণ ও শুভকে নির্দেশ দিয়ে বলেন— “ওকে গাছের সঙ্গে বেঁধে না রাখলে তোমাদের চাকরি থাকবে না।” এ ঘটনায় পুরো প্রতিষ্ঠানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

‎এটি স্পষ্টতই একজন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের ক্ষমতার চরম অপব্যবহার ও সাংবাদিকতা পেশার ওপর সরাসরি আঘাত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশ্ন উঠেছে—একজন অধ্যক্ষ যদি সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারেন, তবে সাধারণ শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের অবস্থা কী?

‎ঘটনার পরপরই সাংবাদিক সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

‎সাংবাদিক তন্ময় আহমেদ নয়ন বলেন,

‎“একজন অধ্যক্ষ প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার হুমকি দেয়—এটা ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ। আমরা এই অপকর্ম কোনোভাবেই মেনে নেবো না।”

‎সিনিয়র সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম রতন বলেন,

‎“তথ্য দিতে না চাওয়া আলাদা বিষয়, কিন্তু সাংবাদিককে অপমান ও হুমকি দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ। দুর্নীতির গন্ধ না থাকলে এমন আচরণ করার কোনো কারণ নেই।”

‎ঘটনার প্রতিবাদে লালমনিরহাট–রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাংবাদিকরা। তারা অধ্যক্ষ আইনুল হকের অপসারণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাংবাদিক নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

‎সচেতন মহলের প্রশ্ন—অসংখ্য অভিযোগের পরও কিভাবে এমন একজন কর্মকর্তা বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকেন? প্রশাসনের নীরবতা কি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে?

‎লালমনিরহাট প্রতিনিধি/মো: রব্বানী ইসলাম ২২-১২-২০২৫_

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট