
শামীম চৌধুরী,
অনেক হয়েছে আর না, ঢাকা নগরবাসীর জন্য, আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা। ব্যাটারী চালিত রিকশা মানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলেছে বিভীষিকাময়। এটা নগরবাসীর জন্য একটা আতংক হয়ে সহবস্থান করছে। দেশে এতোদিন কোন সরকার ছিল না, এই সুযোগ টা কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র রাজধানীর মতো একটা শহরকে করে তুলেছে বিভীষিকাময় জীবন যাত্রা। শতভাগ সমর্থন করি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা সমর্থন করি না চিকন গলিতে রেসিং কারের গতিতে ছুটে চলা অটোরিকশা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের কারণ। চওড়া মূল সড়কে এরা তো চলে না, যেন হাওয়ার মতো উড়ে। ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার কারণে সড়কে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে পাশাপাশি যানযট সৃষ্টি করছে। শুধু নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে। এবং, এই অটোরিকশা জোঁকের মতো বিদ্যুৎ চুষে খাচ্ছে। এই অটোরিকশা চালকরা কেউ হতদরিদ্র নয়, বেশি টাকা আয়ের জন্য এরা বিভিন্ন পেশা ছেড়ে অতি অল্প টাকা বিনিয়োগ করে এই অবৈধ পেশায় নিয়োজিত করে নগরবাসীর জীবন কে করে তুলেছে বিভীষিকাময় ও বসবাসের অযোগ্য নগরীতে। অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা এখনই বন্ধ না করলে বৈদেশিক বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে অচিরেই, দেশ পড়বে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে মুখে । সরকার যদি দেশের ভালো চায়? এবং জনগণের নিরাপদ জীবন, যানযট ও দুর্ঘটনার কথা চিন্তা করে, তাহলে এক্ষুনি এর লাগাম টেনে ধরতে হবে। এটা বন্ধ করার সহজ পদ্ধতি হচ্ছে মানুষের বাসা বাড়ি ও অবৈধ তৈরি রিকশা গ্যারেজের চার্জিং সিষ্টেম বন্ধ করা। ডেসকো এটা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে। কেউ তার মিটার থেকে এই সব অবৈধ সংযোগ দিলে তার মিটার বন্ধ করে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। পাড়ামহল্লায় ও লোকালয়ে কথা বলে জানাগেছে , বেশীরভাগ ব্যাটারী চালিত অটোরিকশার মালিক সিটি কর্পোরেশন ভূক্ত ওয়ার্ডে রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালীরা। তাদেরকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাঁচতে দিন। নগরের সৌন্দর্যে এগিয়ে আসুন।