রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনা বিভাগের ৬০ সাংবাদিকের মধ্যে নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ।  উলিপুরে ৯৯৯-এর পুলিশের বিরুদ্ধে আসামি তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ: অভিযুক্ত এসআই ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ আরডিআরএস পুনর্বাসন কেন্দ্রে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের সঙ্গে প্রধান অতিথি জনাব আসাদুল হাবিব দুলু, এমপির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা ‎ রূপসায় এমপি আজিজুল বারী হেলাল এর নির্দেশনায় জাবুসা বিলে জলাবদ্ধতা নিরসন,স্বস্তিতে কৃষক-মৎস্যচাষীরা ।   গাজীপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ৪৮ ঘণ্টায় বরিশাল থেকে স্বামী গ্রেপ্তার-দা উদ্ধার  পাবনা গণপূর্তে নিয়মানুগ উন্নয়ন রাজধানীর উত্তরায় আবাসিক হোটেল পালকীতে যুবদলের নাম ভাঙ্গিয়ে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ কিশোর গ্যাং এখন ও সানীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের নতুন সচিব হওয়ার জোরালো সম্ভাবনায় মো. সারোয়ার আলম প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার খাল খনন প্রকল্পে নয়ছয় ! কালিহাতীতে অনিয়মের অভিযোগে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৫ শত ২৬ টাকা ফেরত গাজীপুরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মহানগর শাখার উদ্যোগে মৌসুমী  ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

উলিপুরে ৯৯৯-এর পুলিশের বিরুদ্ধে আসামি তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ: অভিযুক্ত এসআই ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

 

 

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

 

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় স্ত্রীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে টাকার বিনিময়ে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উলিপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টরের (এসআই) খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

 

গতকাল শুক্রবার(৩১ জুলাই) উলিপুর পৌরসভা নিজাই খামার এলাকার হাজীপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

 

ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ওই এসআইকে অবরুদ্ধ করে রাখলে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা পর স্থানীয় মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় তিনি মুক্ত হন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে মজনু মিয়া নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী বিথি বেগমকে পিটিয়ে দুই কানের পর্দা ফাটিয়ে দেন এনং গুরুতর জখম করে। মুমূর্ষু অবস্থায় গ্রামবাসী গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

 

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের অভিভাবক ও গ্রামবাসী সালিশ বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালীন মজনুর বাবার ফোন পেয়ে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এর ডিউটিরত উলিপুর থানার এসআই খাইরুল ইসলাম সহ একজন পুলিশ সদস্যসহ বিকাল ৪ টার সময় ঘটনাস্থলে আসেন।

 

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই এসআই রক্তাক্ত জখমের মূল অভিযুক্তকে হেফাজতে না নিয়ে উল্টো কৌশলে একটি লাথি মেরে সালিশ বৈঠক থেকে তাড়িয়ে দেন এবং মজনু দৌড়ে পালিয়ে যায়।

 

ভুক্তভোগীর স্বজন ও গ্রামবাসীদের দাবি, মজনুর বাবার কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা (টাকা) নিয়ে ওই এসআই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আসামিকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।আসামিকে এভাবে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় উপস্থিত জনতা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওই এসআইকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। অবস্থা বেগতিক দেখে সাথে থাকা অন্য পুলিশ সদস্য দ্রুত কেটে পড়লেও অবরুদ্ধ এসআই অবমাননাকর পরিস্থিতিতে বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত টানা ৫ ঘণ্টা আটকে থাকেন।

 

পরবর্তীতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য আবার সালিশ বৈঠক বসান এবং ওই বৈঠকের অংশ হিসেবে এসআই খাইরুল সালিশের শেষ পর্যন্ত ওখানেই অবস্থ করেন।

 

জরুরি ডিউটিতে গিয়ে ফৌজদারি অপরাধের অভিযুক্তকে নিজ হেফাজতে না নিয়ে সালিশে অংশ নেওয়া এবং আসামিকে তাড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনায় ওই এসআই-এর পেশাদারিত্ব ও ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে পুরো এলাকায়।

 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই খাইরুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে ছেলেটিকে বের করে আনি। আমি তাকে শাসন করার জন্য একটি লাথি মারি। এরপর কথা বলার সময় সে পাশের দিকে চলে যায়, পরে আর তাকে পাওয়া যায়নি। আমাকে কেউ অবরুদ্ধ করে রাখেনি। স্থানীয় মেম্বার লিটন মিয়া ও রফিকুল ইসলাম মীমাংসার চেষ্টা করবেন জন্যে আমি ওখানে ২,৩ ঘন্টা অপেক্ষা করি। অবৈধ সুবিধা নেয়ার কথা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews