
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ জাকির হোসেন-টুটুল।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর সদরে ফেমাস (এনজিও) কার্যালয়ের ঘরে কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম কে নারী সহকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয় জনতা।
জানা গেছে, মুন্ডুমালা পৌর সদরের তিন তলা একটি বাড়ীর এক তালায় ফেমাস (এনজিও) কার্যলয়। ওই বাড়ীর তিন তালায় নারী কর্মী বসবাস করেন।
শুক্রবার -১৪ আগস্ট ছুটির দিন সকালে (এনজিও) পরিচালক আশরাফুল ইসলাম ও নারী মাঠ কর্মীকে আপত্তিকর অবস্থায় একই কক্ষে দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ওই বাড়ির সামনে উৎসুক জনতার ভিড় হয় এবং জনতা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এসময় তাদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতা ফেমাস কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।এসময় সেখানে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এদিকে ঘটনা মীমাংসার জন্য সেখানে পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দা শাখার (ডিএসবি) সদস্য আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত হয়। তিনি দীর্ঘ সময় সেখান অবস্থান করেন এবং আশরাফুল কে সেখানে অবরুদ্ধ রেখেই ওই নারীকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন। পরবর্তীতে সন্ধ্যার পর ডিএসবির দুই সদস্য, বিএনপির স্থানীয় দুই নেতা, ছাত্রলীগ নেতা বিশাল, বাড়ির মেইন গেটে তালা দিয়ে তিন তলায় ওই নারী কর্মীর ঘরে অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ঘন্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে আশরাফুল ইসলামকে রেখেই তারা বেরিয়ে আসেন। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ডিএসবি আবুল কালাম আজাদের পথরোধ করে ওই নারীকে বের করে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাই। বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে ডিএসবি আজাদ কৌশলে সেখান থেকে সটকে পড়েন।
এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অন্যদিকে ঘটনার পর থেকেই পরিচালক আশরাফুল ইসলাম গা ঢাকা দিয়েছে।
এবিষয়ে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও কল গ্রহণ না করায় আশরাফুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি ক্ষুদে বার্তা দেয়া হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা ডিএসবি’র ইন্সপেক্টর খায়রুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।