রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

খুলনায় গৃহপরিচারিকা নি”র্যাতন মামলায় গ্রেফতার পুলিশ দম্পতি। 

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

আঃ মান্নান (স্টাফ রিপোর্টার):খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকায় গৃহপরিচারিকাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ দম্পতি-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। পরবর্তীতে পুলিশ দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানার এএসআই পপি রানী সাহা ও তার স্বামী একই থানায় কর্মরত এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকার। গ্রেফতারের পর জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ১৭ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকার ৪১৪ নম্বর বাড়ির ৬ নম্বর সড়কে অবস্থিত নিজ বাসভবনে কর্মরত গৃহপরিচারিকা মিলন চন্দ্র দাস ২০ কে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন অভিযুক্তরা।

 

উল্লেখ্য “কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে মিলনকে বারান্দায় কান ধরে ওঠবস করানো হয়। পরে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এ সময় গরম খুন্তি ও কড়াই দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।

 

মিলনের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি ওকিল চন্দ্র দাসের মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন তিনি। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও তাকে নির্যাতন করা হয়েছে।

 

ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে ভিকটিমের মা মিনতী রানী দাস বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২০, তারিখ ১৮ জুন ২০২৬। মামলায় এএসআই পপি রানী সাহা ও এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকারকে আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৪৪, ৩২৩, ৩২৪,

৩২৫, ৩২৬ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

 

মামলা দায়ের পরপরই অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেয় সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ। সোনাডাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়ের পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

এসআই হাসানুজ্জামান আরো জানান, ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

 

এদিকে গ্রেফতারের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী (খুলনা- জজ -কোর্ট) অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আসামিদের জামিন চেয়ে আবেদন দাখিল করেছেন। আদালত সূত্র জানায়, আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ দেওয়া হবে।

 

একজন পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের ঘটনায় খুলনাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। মানবাধিকার ও নারী অধিকার সংগঠনগুলো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews