সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

গাজীপুরে চোরাই মোটরসাইকেলের মূল হোতা গ্রেপ্তার ;৩৩ মোটরসাইকেল উদ্ধার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

 

মো. হাইউল উদ্দিন খান,গাজীপুর প্রতিনিধি

 

 

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা এলাকায় সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়, পুলিশের সরঞ্জাম, বিআরটি’র জাল কাগজপত্র,সব মিলিয়ে যেন একটি সুসংগঠিত প্রতারণার কারখানা।সেই কারখানার সন্ধান পেয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা ও জাল কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত চক্রের কথিত মূল হোতা মো. করবেল খাঁ (২৮)। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৩টি চোরাই মোটরসাইকেল। একই সঙ্গে জব্দ করা হয়েছে পুলিশ ও বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট জাল সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ভুয়া পরিচয়পত্র ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ আলামত।

 

 

গাজীপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার (৩০ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাছা থানার পেয়ারাবাগান রোড এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে করবেল খাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একে একে উদ্ধার করা হয় ৩৩টি চোরাই মোটরসাইকেল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

 

 

তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত করবেল খাঁ দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মকর্তার ছদ্মবেশ ধারণ করে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতেন। এরপর চোরাই মোটরসাইকেলের জন্য বিআরটিএর জাল রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য নথিপত্র তৈরি করে সেগুলো বৈধ হিসেবে বিক্রি করতেন। এ কাজে তিনি একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করতেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা পাওয়া গেছে।

 

অভিযানে উদ্ধার হওয়া আলামতের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি ল্যাপটপ, তিনটি প্রিন্টার, বিআরটিএর মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন বইয়ের চারটি কপি, ছয়টি রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ১১টি ই-রেজিস্ট্রেশন কার্ড, একটি ওয়াকিটকি সেট, নয়টি গ্রাম সিম, দুটি মেমোরি কার্ড, পুলিশের ব্যবহৃত বিভিন্ন পোশাক ও সরঞ্জাম, বিশেষ শাখা (এসবি) পরিচয়পত্র সদৃশ কার্ড, ভুয়া ভিজিটিং কার্ড এবং বিভিন্ন ধরনের জাল কাগজপত্র।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত চক্রের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এসব তথ্য যাচাই করে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

 

 

পুলিশের ভাষ্য, চোরাই যানবাহনকে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বৈধ রূপ দিয়ে বাজারজাত করার এ ধরনের চক্র শুধু সম্পদ চুরিকেই উৎসাহিত করে না, বরং আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নথির নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। এ কারণে পুরো নেটওয়ার্ককে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গাছা থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews