সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

স্বচ্ছতার নজির: খাল খননের অব্যয়িত টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় সালথার ইউএনও

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

সাইদ গাজী, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী ইশতিহার ছিলো খাল খনন কর্মসূচি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অসন্তোষ থাকলে ফরিদপুরের সালথায় ছিলো ভিন্ন চিত্র। এখানে বিএনপি সহ সাধারণ মানুষ খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করে। খাল খননে সব খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত অত্যয়িত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন। বিষয়টি জানার পর রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

 

উপজেলা পিআইও অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের তিনটি খাল ৪.৫৩৫ কি:মি পুনঃখননে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ ছিলো। ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম খাল খনন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি খাল খনন কাজের প্রশংসা করেন। প্রায় তিন মাস পর খাল খননের কাজ শেষ হয়। শ্রমিক সহ সকল খরচ মিটিয়ে অব্যয়িত ৭৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩ শত ৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।

 

খাল খনন কর্মসূচির পিআইসি কমিটির কয়েকজন সদস্যের সাথে কথা হলে তারা জানান, ইউএনও স্যার অনেক ভালো মনের মানুষ, খাল খনন কাজ করার সময় তিনি নিয়মিত কাজ তদারকি করতেন। আমাদের বিভিন্ন পরামর্শ দিতেন। খাল খননে শ্রমিক সহ সকল বিল তিনি যথা নিয়মে পরিশোধ করেছেন। আমাদের কাজও অন্য উপজেলার চেয়ে ভালো হয়েছে। স্যার যোগদানের পরে আমাদের উপজেলার চেহারা পাল্টে যাচ্ছে, স্যার যদি কয়েক বছর এখানে কাজ করার সুজোগ পান, তাহলে সালথা উপজেলা একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।

 

এই বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন বলেন, উন্নয়ন কাজের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। স্বচ্ছ প্রশাসন, টেকসই উন্নয়ন, এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আমি যেখানে কাজ করি প্রতিটি কাজই আমার নিজের কাজ মনে করে করি। খাল খননে যে আমাদের পর্যাপ্ত বরাদ্দ ছিলো। আমরা সরকারি টাকার সদ্য ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। কাজ শেষে বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই সুশাসনের অন্যতম ভিত্তি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews