
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ বটিয়াঘাটা থানাধীন বটিয়াঘাটা থানাধীন রাঙ্গেমারী মৌজায় ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টা, ঘেরা বেড়া ও বসতঘর ভাঙচুর, শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাসিমা বেগম, তাঁর ছেলে-মেয়ে, ইমনসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোসাঃ জাহানারা আক্তার সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে জাহানারা আক্তার উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা একসময় তাঁর ক্রয় করা জমির পাশের জমির মালিক ছিলেন। পরে তাঁরা নিজেদের জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেন। অন্যদিকে, তিনি তাঁর ক্রয় করা জমিতে বসতঘর নির্মাণ, গাছপালা রোপণ, পুকুর খনন এবং ঘেরা বেড়া দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
তাঁর দাবি, অভিযুক্ত ইমনের ইন্ধনে অন্যরা ওই জমি নিজেদের বলে দাবি করে বিভিন্ন সময় তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি জমিটি দখলেরও চেষ্টা করা হচ্ছিল।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্তরা লোহার রড, দা, কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধভাবে তাঁর জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় জমির ঘেরা বেড়া ও নির্মিত বসতঘর ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
জাহানারা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি জমিতে গেলে অভিযুক্তরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ জানালে তাঁকে মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে আসা হয়। এ সময় তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর পরনের কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা জমিটি দখল করে নেওয়ার হুমকি দেন। পাশাপাশি তিনি বা তাঁর স্বজনেরা বাধা দিলে কিংবা থানায় বা আদালতে অভিযোগ করলে তাঁদের ওপর পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী। এতে তিনি ও তাঁর স্বজনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও উল্লেখ করেন।
জাহানারা আক্তারের আশঙ্কা, অভিযুক্তদের কারণে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানমালের ক্ষতি হতে পারে। ঘটনার পর স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্য, তদন্তের অগ্রগতি এবং অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।