রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

টঙ্গীতে অভিযান;বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নগদ অর্থ, মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার- ৩

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

 

 

মো. হাইউল উদ্দিন খান,গাজীপুর প্রতিনিধি

 

গাজীপুরের টঙ্গীতে কথিত মাদক সম্রাজ্ঞী আরেফিনা বেগমের নিয়ন্ত্রণাধীন মাদক আস্তানায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, নগদ অর্থ ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেছে।

 

ওই সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

পুলিশ বলছে, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস ব্যবসার আড়ালে পরিচালিত হয়ে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের কার্যক্রম।

 

রোববার (২৯ব্জুন) রাতে টঙ্গীর ব্যাংকের মাঠ মাদক বস্তি, গোপালপুর ও আরেফিনার নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক স্থাপনায় একযোগে অভিযান চালানো হয়।

 

জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৬৬ বোতল ফেনসিডিল, ১১ পুঁড়িয়া গাঁজা, চার লিটার চোলাই মদ, মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৪৬টি মোবাইল ফোন ও মাদক বিক্রির ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশের দাবি, টঙ্গীর ব্যাংকের মাঠ এলাকায় সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদক বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন আরেফিনা।

 

মাদকের অর্থে নির্মিত তার ছয়তলা ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

 

অভিযানের সময় আরেফিনার ভবনের এক ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের তথ্যও পাওয়া যায়। পুলিশের ভাষ্য, মাদক কারবার ও সেবনের জন্য ওই ভবন ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

 

পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে আরেফিনার মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। এ কারণে এলাকাবাসীর অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি।

 

জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের ওসি সৈয়দ মিজানুর ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। মাদক কারবারি, মাদকসেবী কিংবা তাদের গডফাদার,কেউ আইনের বাইরে থাকবে না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews